আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাতে কথা কাটাকাটি, ঝগড়া। মধ্য রাতেই সব শেষ! প্রেমিকাকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। প্রেমিকার দেহ টুকরো টুকরো করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। অবশেষে পুলিশের জালে অভিযুক্ত।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরে। পুলিশ জানিয়েছে, ৩৮ বছর বয়সি বিবাহিত মহিলার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল ওই শিক্ষকের। প্রেমিকার ফোনের চ্যাট দেখেই ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ডটি ঘটান তিনি। রাতে প্রেমিকা ঘুমিয়ে পড়ার পরেই, তাঁর গলা কেটে খুন করেন। এরপর দেহটি তিন টুকরো করেন তিনি। এরপর জেলায় বিভিন্ন জায়গায় দেহের টুকরোগুলি ছড়িয়ে দেন। কয়েকটি টুকরো পুড়িয়ে ফেলার আগেই পুলিশি এনকাউন্টারে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, মৃত যুবতীর নাম, রেশমা খান। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম, হেমাল খাখারিয়া। তিনি গুজরাটের বাসিন্দা। কয়েক মাস আগেই জৌনপুরের শিক্ষক কলোনিতে থাকতে শুরু করেন। গত রবিবার রাতে পালিয়ে যাওয়ার সময়েই, এনকাউন্টার করে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
রবিবার সকালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। স্থানীয়রাই রানিপুর বাইপাসের কাছে একটি কালো প্লাসি্টিকের মধ্যে দেহের টুকরো দেখতে পান। সেই টুকরোগুলি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এলাকার সিসিটিভি দেখে মৃত মহিলাকে শনাক্ত করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, গত ৪ জুলাই রেশমাকে ওই কলোনিতে এনেছিলেন অভিযুক্ত শিক্ষক। ঘরের মধ্যেই দু'জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। রেশমার ফোন ঘেঁটে, একাধিক ছেলের সঙ্গে চ্যাট দেখতে পান। তারপরেই অশান্তি শুরু। যদিও ঝামেলা মিটিয়েই রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন রেশমা। কিন্তু তখনও হেমলের রাগ মেটেনি।
রেশমা ঘুমিয়ে পড়ার পরেই, ধারালো ছুরি দিয়ে তাঁর গলা কেটে খুন করেন হেমল। এরপর দেহটি টুকরো টুকরো করেন। সেই রাতেই বাজারে গিয়ে কালো প্লাস্টিক কিনে আনেন। সেই প্লাসিকে দেহের টুকরোগুলি ভরে, বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেন। পুলিশ কয়েকটি দেহের টুকরো উদ্ধার করেছে জানতে পেরেই পালানোর চেষ্টা করেছিলেন হেমল। সেই সময়েই এনকাউন্টারে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে খুনের ঘটনা তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন।















