আজকাল ওয়েবডেস্ক: দ্বাদশ শতাব্দীর, জগন্নাথ মন্দিরের ভাণ্ডারে কত পরিমাণ সোনা, হীরে, রত্ন, অলঙ্কার রয়েছে তা নিয়ে নতুন করে গবেষণা করতে শুরু করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। এটি শেষবার করা হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। ফের একবার চলতি বছরে সেই কাজ করা হচ্ছে। মন্দিরের দায়িত্বে থাকা অরবিন্দ কুমার পাধি জানিয়েছেন, বুধবার নির্ধারিত সময়েই এই কাজ শুরু হয়েছে। তার মতে এটি ছিল একটি শুভ সময়। তিনি আরও বলেন, গোটা ঘটনাটি ফটোগ্রাফ এবং ভিডিওগ্রাফ করা হয়েছে। প্রথম দিনে ছয় ঘণ্টা ধরে তারা কাজ করেছেন। ফলে সেদিন প্রায় ৮০% সম্পদের হিসেব সামনে এসেছে।
এই সম্পদ ভাণ্ডারের হিসেবের কাজটি সম্পূর্ণ করার জন্য ওড়িশা সরকার স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং নীতি মেনে একটি দল গঠন করেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কর্মীরা এদিন সারাদিন ধরেই সেই সম্পদের হিসেব করতে থাকেন। তারা কিছু অমূল্য সম্পদের খোঁজ করতে থাকেন যেগুলি বহুদিন ধরে নিখোঁজ ছিল।
পুরীর মন্দিরের কর্মীরা এবং ওড়িশা পুলিশ কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই কাজটি করছেন। মুম্বইয়ের বিশেষজ্ঞ রত্নতত্ববিদদের হীরা, নীলকান্তমনি, মুক্তো, রুবি এবং অন্যান্য মূল্যবান পাথর দেখভাল করেন। প্রতিটি অলঙ্কারই মখমলের কাপড়ে গুছিয়ে রাখা হয়েছে। একাধিক দিক থেকে আলো দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল এদিনের কর্মকাণ্ডটি এবং গোটা ঘটনাকে তারা ক্যামেরাবন্দিও করে রাখেন।
এই ভাণ্ডারটি ১৯০৫ সালে নতুনভাবে তৈরি হয়েছিল। মন্দিরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অলঙ্কারগুলি নতুন করে মেলাতে তাদের সাময়িক সমস্যা হয়। তবে এবার কাজ শেষ হলে ভবিষ্যতে তাদের সেই সমস্যা আর হবে না। তারা আরও জানান, রাম নবমীর মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় এই কাজটি কয়েকদিন বন্ধ থাকবে এবং ৪ এপ্রিল থেকে আবার কাজ শুরু হবে।















