আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাইরে তখন প্রবল রোদ। চড়চড় করে বাড়ছে তাপমাত্রা। ছাতার তলাতেও ঠিক করে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। বহু মানুষ এই গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সেই গরমের মধ্যে নিজের পাঁচ বছরের নাতনিকে বাড়ির দরজায় বেঁধে রেখে দিয়েছিলেন ঠাকুমা। পাঞ্জাবের ফরিদকোটের এই মহিলা সহকারী সাব-ইন্সপেক্টরকে বরখাস্ত করা হয়েছে এর জেরে। বুধবার পুলিশের বক্তব্য তেমনটাই ছিল।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পাঁচ বছরের শিশুকন্যার ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায় একটি কাপড় দিয়ে মেয়েটির হাত-পা বাঁধা রয়েছে বাড়ির দরজার সঙ্গে। যন্ত্রণায় ছটফট করছে। অঝোরে কেঁদে চলেছে সে। এই ভিডিও নেটদুনিয়ায় আলোড়ন তুললে প্রশাসন পদক্ষেপ করে।
সুত্র অনুযায়ী, ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তার কান্না শুনে প্রতিবেশীরা একে একে ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তারপর তাঁরাই শিশুটির বাঁধন খুলে দেয়। তাকে ছায়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, জল খাওয়ানো হয়, ঘাড়ে মাথায় জল দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, এই ভাইরাল ভিডিওটি করেছিলেন শিশুটির এক প্রতিবেশীই।
তথ্য সূত্র অনুযায়ী, শিশুটির বাবা-মা থাকেন পর্তুগালে। ফলে সে থাকে তার ঠাকুমার সঙ্গে। পুলিশের কথায়, তিনি ফরিদাকোটের মহিলা মিত্র বা নারী সহায়তাকেন্দ্রে চাকরি করতেন। এই ভিডিও ভাইরাল হলে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।
ডেপুটি সুপারিটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ তার্লোচন সিং জানান, ওই মহিলা ফরিদাকোটের ডাগোর বস্তি এলাকার বাসিন্দা। ডিএসপি তাঁর বক্তব্যে অবাক হয়ে বলেন, ‘তিনি একজন পুলিশকর্মী হয়েও এইভাবে নিজের নাতনিকে তপ্ত রোদের মধ্যে হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে দিতে পারলেন কীভাবে আমি তো বুঝতে পারছি না।’ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং এই তদন্তটিকে শিশু কল্যাণ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
















