আজকাল ওয়েবেস্ক: রাইসিনা হিলের কাছে অবস্থিত নতুন কার্যালয়টি প্রায় প্রস্তুত। কর্মীরা এখন শেষ মুহূর্তের কাজ করছেন। সম্ভবত চলতি মাসের শেষ দিকে থেকেই প্রধানমন্ত্রী নতুন কার্যালয় থেকে তাঁর কাজ শুরু করবেন।

নতুন কার্যালয়টি রাইসিনা হিলের কাছে অবস্থিত। সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অংশ হিসেবে রাইসিনা হিলের কাছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন কার্যালয়টি তৈরি করা হয়েছে। নির্মাণ পর্যায়ে 'এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ' নামে পরিচিত এই চত্বরটির নামকরণ করা হয়েছে 'সেবা তীর্থ'। এই চত্বরে তিনটি ভবন রয়েছে। সেবা তীর্থ ১-এ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সেবা তীর্থ ২-এ মন্ত্রিসভা সচিবালয় এবং সেবা তীর্থ ৩-এ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের কার্যালয় রয়েছে।

সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে একটি নতুন সংসদ ভবন এবং উপরাষ্ট্রপতির বাসভবন ইতিমধ্যেই প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ও প্রায় প্রস্তুত। আটটি নতুন মন্ত্রিপরিষদ কার্যালয়ের মধ্যে তিনটিও প্রস্তুত এবং চালু হয়ে গিয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে 'এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ' বলা হবে বলে ঠিক ছিল। কিন্তু সরকারি সূত্র পরে জানায় যে, এর নামকরণ করা হবে 'সেবা তীর্থ' (যার অর্থ সেবার পবিত্র স্থান)। নতুন কার্যালয়ের কাছেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণ করা হচ্ছে এবং এটি প্রস্তুত হয়ে গেলে তিনি ৭, লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবন থেকে সেখানে চলে যাবেন।

সেবা তীর্থে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য অত্যাধুনিক কক্ষ রয়েছে। এই কক্ষগুলো প্রযুক্তিগতভাবে সজ্জিত হওয়ার পাশাপাশি ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকেও প্রতিফলিত করে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের জন্য একটি নতুন কক্ষ তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এখন একটি ওপেন ফ্লোর মডেলে তৈরি এবং কর্মকর্তারা বলছেন যে- এর উদ্দেশ্য হল কাজের সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনা।

স্বাধীনতার পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিদেশ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে সাউথ ব্লকে অবস্থিত ছিল। অন্যদিকে, নর্থ ব্লকে স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রক ছিল। সেগুলোকে এখন কর্তব্য ভবনে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্য নর্থ ও সাউথ ব্লকে এখন একটি বিশাল জাদুঘর তৈরি করা হবে, যা ৫,০০০ বছরের পুরনো ভারতীয় সভ্যতাকে তুলে ধরবে। এই জাদুঘরের প্রথম পর্ব আগামী বছরের শুরুতে উদ্বোধন করা হতে পারে।