আজকাল প্রত্যেকেই এমন বিনিয়োগের বিকল্প খুঁজছেন যা নিরাপত্তা এবং চমৎকার রিটার্ন দুটোই প্রদান করে। বর্তমানে, পোস্ট অফিসের একটি দুর্দান্ত স্কিম মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। এই স্কিমটি আপনাকে ন্যূনতম বিনিয়োগে চমৎকার রিটার্ন অর্জন করার সুযোগ দেয়। আমরা পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (পিপিএফ) স্কিম নিয়ে কথা বলছি।
2
6
কম বিনিয়োগে চমৎকার রিটার্ন: পিপিএফ-এ বিনিয়োগ করা সহজ, কিন্তু এর সুবিধা পেতে হলে তাড়াতাড়ি শুরু করা এবং নিয়মিত বিনিয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে, এই স্কিমটি বার্ষিক ৭.৯ শতাংশ হারে সুদ দেয়। আপনি যদি প্রতিদিন মাত্র ৪১১ টাকা সঞ্চয় করেন, তবে আপনার মোট মাসিক জমা হবে প্রায় ১২,৫০০ টাকা। বার্ষিকভাবে, এই বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ১.৫ লক্ষ টাকা।
3
6
পিপিএফ-এর মেয়াদকাল ১৫ বছর। আপনি যদি নিয়মিত বিনিয়োগ চালিয়ে যান, তবে ১৫ বছর শেষে আপনার মোট তহবিল প্রায় ৪৩.৬ লক্ষ টাকায় পৌঁছাতে পারে। এর মধ্যে আপনার নিজের জমা থাকবে মাত্র ২২.৫ লক্ষ টাকা, আর আপনি সুদ হিসেবে পাবেন প্রায় ২১ লক্ষ টাকা।
4
6
সরকারি গ্যারান্টি এবং কর সুবিধা: পিপিএফ-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এর নিরাপত্তা এবং কর ছাড়। এই স্কিমটি তিন ছাড় (Exempt-Exempt-Exempt) বিভাগের অধীনে পড়ে। এর অর্থ হল, বিনিয়োগ করা পরিমাণ, অর্জিত সুদ এবং মেয়াদপূর্তিতে প্রাপ্ত মোট পরিমাণ সবই করমুক্ত। এছাড়াও, আয়কর আইনের ৮০সি ধারা অনুসারে বার্ষিক ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে কর সুবিধা পাওয়া যায়। নিরাপত্তার দিক থেকে, এই স্কিমটি ভারত সরকার সমর্থিত, তাই আপনার সম্পূর্ণ জমা নিরাপদ।
5
6
জরুরি প্রয়োজনে ঋণের সুবিধা: জীবনে অপ্রত্যাশিত আর্থিক প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। পিপিএফ স্কিমটি তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ বছরের মধ্যে আপনার জমার ভিত্তিতে ঋণের সুবিধা প্রদান করে। এই ঋণের সুদের হার সাধারণ ব্যক্তিগত ঋণের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম এবং পরিশোধ করাও সহজ।
6
6
পিপিএফ ডিজিটাল সুবিধা: এই স্কিমে বিনিয়োগ সম্পূর্ণ নমনীয়। আপনাকে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হবে না। আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী বার্ষিক এককালীন টাকা জমা দিতে পারেন অথবা সারা বছর ধরে ১২টি কিস্তিতে বিনিয়োগ করতে পারেন। এখন আর পোস্ট অফিসে যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। আপনি এখন ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্টস ব্যাঙ্ক (IPPB) বা ডাক-পে অ্যাপের মাধ্যমে নিজের পিপিএফ অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারেন।