আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২২ এপ্রিলের পহেলগাঁও। রক্তাক্ত পহেলগাঁও। মৃত্যু মিছিল, হাহাকার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমঅবনতি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক। দুই দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশের হাত থেকে পহেলগাঁও তদন্তের ভার নিয়েছে এনআইএ। 

সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, তদন্তে নেমে পুলিশ এবং তদন্তকারী আধিকারিকদের জাল তথ্যের জট ছাড়াতে হচ্ছে। তাতে খানিকটা বাধাও পাছে তদন্ত। এই ভুয়ো তথ্যগুলি পাক-সম্পর্কিত বলেও খবর ওই সংবাদ সংস্থা সূত্রে। খবর, অন্তত ২০০টির বেশি ‘ফেক অ্যালার্ম’ নজরে এসেছে। এর কারণেই বিলম্ব হচ্ছে তদন্তের অগ্রগতিতে।

কীভাবে ঘটছে এই ভুয়ো তথ্যের সম্প্রচার? ভুয়ো তথ্য, ভুয়ো ফোন কল, সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টের মাধ্যমে বিভ্রান্তি তৈরির প্রচেষ্টা চলছে। বৈসরনের পরিস্থিতি নষ্ট করায় হাত রয়েছে কিছুক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদেরও, সূত্রের খবর তেমনটাই। আবার, বিহারের দুই ব্যক্তি শ্রীনগরের লাল চকে পৌঁছে এক বিশেষ সম্প্রদায়কে গালিগালাজ করে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করেছে। অপর একজন আবার পহেলগাঁওয়ের নামে সোনমার্গের ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

সর্বভারতীয় ওই সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ভারতীয় ব্যবস্থার উপর মানুষের বিশ্বাস নষ্ট করার জন্য পাকিস্তান একটি ভুয়া তথ্য নেটওয়ার্ক চালাচ্ছে। পাকিস্তানপন্থী সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলি ভারতীয় সেনাবাহিনীর নামে ভুয়ো তথ্য প্রচার করছে। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ভারতীয় সেনাবাহিনী নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করেছে বলে অভিযোগ। হোয়াটসঅ্যাপে সেনাবাহিনী নিয়েও ভুয়ো তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। চতুর্দিকে ভুয়ো তথ্যের জাল কাটাতেই তদন্তের বিলম্ব ঘটছে, সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর তেমনটাই।