আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা নামাতে গিয়েই ঘটল বিপত্তি। কোচিং সেন্টারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক পরিণতি হল দশম শ্রেণির এক ছাত্রের। যে ঘটনায় শোকের ছায়া গোটা এলাকায়।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশায়। মঙ্গলবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জগৎসিংপুর জেলায় দশম শ্রেণির এক ছাত্র বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে। এক প্রাইভেট কোচিং সেন্টারে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে হাজির ছিল সে। পতাকা নামানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছে তার।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম, ওমপ্রকাশ দ্বিবেদী। সে আদতে কেন্দ্রপাড়া জেলার বাসিন্দা। কিন্তু পড়াশোনার জন্য কয়েক মাস ধরে জগৎসিংপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে থাকত। সোমবার ওই কোচিং সেন্টারে টিউশনে গিয়েছিল সে। সেখানে প্রজাতন্ত্র দিবসের উদযাপনের পর পতাকা নামাতে গিয়েই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই কোচিং সেন্টারের ছাদেই গতকাল সকালে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন করেছিল পড়ুয়ারা। লোহার পাইপে পতাকাটি আটকানো ছিল। সন্ধ্যায় সেখান থেকে পতাকা নামানোর চেষ্টা করছিল ওমপ্রকাশ। সেই সময়েই ওভারহেড তারের সংস্পর্শে আসে লোহার পাইপটি।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই ঘটনাস্থলে ওমপ্রকাশের মৃত্যু হয়। তড়িঘড়ি করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই কোচিং সেন্টারের মালিক অশ্বিনী কুমার নন্দকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
প্রজাতন্ত্র দিবসের আবহে আরেকটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। চলন্ত অটো থেকে ছিটকে পড়তেই বিপত্তি। মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে ঘটনাস্থলেই মর্মান্তিক পরিণতি অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর। যে দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোরগোল ছড়িয়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানায়। সোমবার পুলিশ জানিয়েছে, কামারেড্ডি জেলায় চলন্ত অটো থেকে পড়েই অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। অটো থেকে পড়েই গুরুতর আহত হয়েছিল সে। ঘটনাটি ঘটেছে এক গুরুকুল স্কুলে। সেখানে তফশিলি জাতির পড়ুয়ারা পড়াশোনা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য বাইরে থেকে কিছু চেয়ার ভাড়া করেছিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। অটোতে সেই চেয়ার নিয়ে আসা হয়েছিল। তাতেই ছিল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। অটো থেকে চেয়ার নামানোর পরেই ঘটে দুর্ঘটনাটি। চলন্ত অটো থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায় সে।
মাথায় গুরুতর চোট পায়। তড়িঘড়ি করে স্কুলের কর্মীরা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে যাওয়ার পরেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে আসার আগেই ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
দুর্ঘটনার পরেই ওই অটোচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা জানিয়েছে, ছাত্রী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটো থেকে পড়ে যাওয়ার পরেও অটোচালক উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেননি। এমনকী অটোটি না থামিয়েই তিনি দ্রুত স্কুল ছেড়ে চলে যান। চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
