আজকাল ওয়েবডেস্ক: বর্ষবরণের রাত। দেশ-বিদেশ তখন ভাসছে উচ্ছ্বাসে। সব জায়গায়, মানুষজন নিজেদের মতো করে পালন করছিলেন বর্ষবরণ। কেউ নিকটজনেরদের সঙ্গে মেতেছিলেন উচ্ছ্বাসে, কেউ গিয়েছিলেন নাইটক্লাবে। আর এই উদযাপনের মাঝেই ঘটে গেল এক ঘটনা। যা ঘটল, তাতে অনেকেই বলছেন, মানবতা বেঁচে আছে। কেউ কেউ আবার প্রশস্তি করেছেন পোস্টদাতা যুবকের।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে একটি পোস্ট। তাতে এক ব্যবহারকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, তিনি বর্ষবরণের রাতে, সময় লাগবে জেনেও, খাবার অর্ডার করেছিলেন। তিন জানিয়েছিলেন, রাত ৮:৩০ টার দিকে খাবার অর্ডার করেছিলেন, কারণ তাঁরা জানতেন যে, অর্ডারটি দেরিতে ডেলিভারি হতে পারে। ৯০ মিনিট পরে যখন বিট্টু পৌঁছান অই গ্রাহক যুবকের বাড়িতে, তখন তিনি রীতিমতো চিন্তায় ছিলেন। কারণ তখনও অন্তত ৩০টি অর্ডার নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া বাকি ছিল।
ওই যুবক জানিয়েছেন, ডেলিভারি পার্টনারকে চিন্তিত দেখে তিনি জল খাওয়ার কথা বলেন। পরে ওই যুবক চলে গেলে, ডেলিভারি অ্যাপ থেকে ওই যুবকের ফোন নম্বর নিয়ে, ৫০১টাকা পাঠান। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, বর্ষবরণের রাতে যখন সকলেই আনন্দে মেতে, তখন তাঁরা খাবার, প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি পৌঁছে দিচ্ছেন ঘরে ঘরে। সেই কারণেই খুশি হয়ে, তিনি ওই যুবকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠান ।
নেট ব্যবহারকারী তাঁর পোস্টে জানিয়েছে, ওই টাকা পেয়ে, ডেলিভারি পার্টনার অই যুবক মিষ্টি একটি উত্তর পাঠিয়েছেন। তাতে ধন্যবাদ দিয়ে লিখেছেন, ওই টাকায় তাঁর গাড়ির পেট্রোল কেনা হয়ে যাবে।
যুবক জানিয়েছেন, ‘ওঁরাই আমাদের হিরো, কারণ আমরা যখন উদযাপনে মেতেছিলাম, ওঁরাই আমাদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন।'
পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেই ওই যুবকের ভাবনার প্রশংসা করেছেন। কেউ কেউ বলছেন, মানবতা বেঁচে আছে এখনও। অনেকেই সেখানে গিগ ওয়ার্কারদের কাজের বিষয়টি নিয়েও সুর চড়িয়েছেন। কেউ কেউ আবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, ডেলিভারি পার্টনাররা কাজ না করলে কী অবস্থা হত অনেকের, তা নিয়েও।
