আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্রেফ ৫ লক্ষ টাকার জমি নিয়ে বিবাদ। আর সেই আক্রোশ থেকেই অপহরণের পর এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠল গুজরাটের মোরবিতে। খুনের প্রমাণ লোপাট করতে দেহ পুড়িয়ে পুঁতে ফেলা হয়েছিল বলেও দাবি পুলিশের। এই ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন তাজমহম্মদভাই ভাট্টি নামে এক ব্যক্তি। পরিবারের তরফে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হলেও পরে অপহরণের অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, জমির দলিল এবং টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে তাজমহম্মদভাইকে ভাদিয়াদের একটি নির্জন খামারবাড়িতে ডেকে আনা হয়েছিল।

অভিযোগ, সেখানেই তাঁকে পিটিয়ে খুন করে অভিযুক্তরা। অভিযুক্তদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ছক কষেছিল বালুভাই থোভনভাই আঘারা নামে এক ব্যক্তি। জেরায় সে কবুল করেছে, প্লাস্টিকের পাইপ ও লাঠি দিয়ে তাজমহম্মদভাইকে বেধড়ক মারধর করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর প্রমাণ নষ্ট করতে দেহটি পুড়িয়ে একটি গর্তে পুঁতে দেয় তারা।

তদন্তে নেমে অবাক পুলিশ কর্তারাও। দেখা গিয়েছে, অভিযুক্ত পাঁচজনই একে অপরের আত্মীয়। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে বাবা, ছেলে, ভাইপো ও জামাই। অর্থাৎ, খুনের পরিকল্পনা থেকে তা কার্যকর করা- পুরোটাই হয়েছে পারিবারিক যোগসাজশে। অভিযুক্তরা হলো- বালুভাই আঘারা, থোভনভাই আঘারা, রমেশভাই আঘারা, বিশাল ভাধাদিয়া এবং জয়দীপভাই সেরসিয়া।

তবে এই ঘটনায় যুক্ত আরও দুই অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গাড়ি। এক পুলিশ আধিকারিকের কথায়, “আমাদের হাতে যথেষ্ট জোরালো প্রমাণ রয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে আরও কোনও গভীর ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”