আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল পাকিস্তানের। ম্যাচ জিতেও পাকিস্তানকে ফিরে যেতে হচ্ছে দেশে। পাকিস্তানের হেরে যাবার দিন নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালের টিকিট জোগাড় করে ফেলল। পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই জানা গেল সলমন আলি আঘাদের টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে গেল। শেষমেশ অবশ্য পাকিস্তান ম্যাচটা জিতে নিল পাঁচ রানে। পাকিস্তান করেছিল ৮ উইকেটে ২১২ রান। শ্রীলঙ্কার ইনিংস থেমে গেল ৬ উইকেটে ২০৭ রানে।  

শেষ চারে জায়গা পাকা করতে হলে পাকিস্তানকে অন্তত ৬৫ রানে ম্যাচ জিততে হতো। তার জন্য শ্রীলঙ্কাকে আটকে রাখতে হতো ১৪৭ রানের মধ্যে। 

১৬-তম ওভারের পঞ্চম বলে শানাকা সিঙ্গল নেওয়ায় শ্রীলঙ্কা ১৪৮ রানে পৌঁছে গেল। আর তার সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তানের সেমিফাইনালের আশা শেষ হয়ে যায়। শ্রীলঙ্কাও আগে ছিটকে গিয়েছে। পাকিস্তানের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়ায় ইডেনে সেমিফাইনাল হচ্ছে এটা একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গেল। পাকিস্তান শেষ চারে পৌঁছলে ইডেন থেকে সরত একটি সেমিফাইনাল। পাকিস্তান ছিটকে যাওয়ায় ইডেনে স্বস্তির হাওয়া। সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেল এদিনই। 

শুরুটা পাকিস্তান কিন্তু করেছিল অন্যভাবে। বিরাট কোহলিকে ছাপিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন পাকিস্তানের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিরাট কোহলি ছ'ইনিংসে ৩১৯ রান করেছিলেন। সেই রান এতদিন অক্ষত ছিল। পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান ভেঙে দিলেন বিরাট কীর্তি। 

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৬০ বলে ১০০ রানের সাবলীল এক ইনিংস খেললেন ফারহান। ৯টি বাউন্ডারি ও ৫টি ওভার বাউন্ডারিতে সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস। তাঁর সঙ্গে ফকর জামানও ৪২ বলে দুর্দান্ত ৮৪ রানের ইনিংস খেললেন। সব মিলিয়ে পাকিস্তান ২০ ওভারে করল ৮ উইকেটে ২১২ রান। এদিন সেঞ্চুরি হাঁকানোর ফলে ফারহানের মোট রান হল ৩৮২। কোহলির থেকেও ৬৪ রান বেশি করেন তিনি। এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক রানের মালিক এখন ফারহানই। 

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে পাকিস্তান দলে তিনটি পরিবর্তন করে। বাবর আজম, সাইম আয়ুব ও সলমন মির্জাকে বসানো হয়। তাঁদের পরিবর্তে নাসিম শাহ, খাওয়াজা নাফায় ও আবরারকে দলে সুযোগ দেওয়া হয়।