আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুধ সন্ধেয় ফোনালাপ। দুই রাষ্ট্রনেতার। একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আচমকাই ফোন করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কেন আচমকা ফোন? কী আলোচনা হল তাঁদের? পরিকল্পনা কি শীঘ্রই সাক্ষাতের?

 

একাধিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে দাবি, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একাধিক বিষয়ে কথোপকথন হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি। তবে সূত্রের খবর, গাজা চুক্তি, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দু'জনের। 

 

এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই নেতা ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দু'দেশের পারস্পরিক সুবিধার জন্য সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ জানিয়েছে দুই নেতা খুব শীঘ্রই দেখা করতে সম্মত হয়েছেন।

লেখা হয়েছে, 'প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কিছুক্ষণ আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ কথোপকথনের শেষে, দুই নেতা খুব শীঘ্রই দেখা করতে সম্মত হয়েছেন।' এর আগেও, একাধিক বার ভারত গাজা শান্তি চুক্তি প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবেরও সমর্থন জানিয়েছেন মোদি। 

নেতানিয়াহুর পরিকল্পিত ভারত সফর স্থগিত হওয়ার পর দুই রাষ্ট্রনেতার আচমকা ফোন করে কথোপকথন, ভূ-রাজনীতিতে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, তা নিয়ে জোর আলোচনা নানা মহলে।। ২০২৩ সাল থেকে আলোচনায় থাকা নাতানিয়াহুর সফর ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর বাতিল হয়ে যায়। ভারত ও ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ ডিসেম্বরে সফর সংক্রান্ত বিষয়টি স্থির করার কথা ভাবছিল বলে তথ্য সূত্রের। কারণ, গাজায় এখন যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, এই সফর চলতি বছরের শেষে নয়,  সম্ভবত আগামী বছরের শুরুতে হবে। যদিও দিনক্ষণের বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। উল্লেখ্য, অতিসম্প্রতি ভারত সফর শেষ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন। মার্কিন মুলুকের সঙ্গে রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারতের যে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন, তার মাঝেই পুতিনের ভারত ভ্রমণ তাৎপর্যপূর্ণ। পুতিন সাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা যদি রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে পারে, তাহলে ভারতও কিনতে পারবে।  তার মাঝেই ফোন নাতানিয়াহুর।