মা-স্ত্রী'কে খুন করে খুলি ফাটিয়ে মাংস ছিঁড়ে খেলেন যুবক? যোগীরাজ্যের ভয়াবহতায় শিউরে উঠছেন সকলে

মা-স্ত্রী'কে খুন করে খুলি ফাটিয়ে মাংস খেলেন যুবক? প্রতীকী ছবি।

আজকাল ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ। যোগী রাজ্য। সেখানকার ভয়াবহ ঘটনার কথা সামনে এসেছে, আর তাতেই শিউরে উঠছেন মানুষ। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, যোগী রাজ্যে সামনে এসেছে ক্যানিবালিজমের ঘটনা। অভিযোগ, গ্রামের ভিতরেই নরখাদক। 

কী ঘটেছে সেখানে? সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশের কুশিনগরের পার্সা গ্রাম। সেখানেই স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ওই গ্রামের যুবক সিকন্দর গুপ্ত, তাঁর স্ত্রী এবং মা'কে খুন করে, তাঁদের খুলি ফাটিয়ে, মাংস ছিঁড়ে খেয়েছেন। 

সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে উল্লিখিত, ওই যুবক তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং মা রুনার উপর মাঝে মাঝেই চোটপাট করতেন, খুনের হুমকি দিতেন। তেমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ, ঘটনার দিন, ওই যুবক ছাদের উপর স্ত্রী এবং মা'কে মারধোর করেন। সিমেন্টের চাঁই দিয়ে বারবার আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাঁরা চিল-চিৎকার শুনতে পেয়ে, ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে দেখেন, সিকন্দর স্ত্রী এবং মায়ের মাথার খুলি ফাটিয়ে, মাংস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছেন। উপস্থিত পাড়া প্রতিবেশীদের মধ্যে মা এবং স্ত্রীর শরীরের মাংসের টুকরো ছুড়ে ফেলতে শুরু করেন বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

জানা গিয়েছে, ৩০ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম সিকন্দর। পেশায় তিনি শ্রমিক। মুম্বইয়ে কর্মরত ছিলেন তিনি। মাসখানেক আগে তিনি নিজের গারমে ফেরেন। মাঝে মাঝেই মদ্যপ অবস্থায় তিনি স্ত্রী এবং মা'কে মারধোর করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে থেকে। ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে সিকন্দর তাঁর স্ত্রীকে প্রিয়াঙ্কার উপর হামলা চালান, তাঁকে খুন করেন। তাঁর পরেই খুন করেন মা রুনাকে। পুলিশ খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁর মানসিক অবস্থা সম্পর্কেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পুলিশ। 

 

সোমবার, কোচবিহারের দিনহাটায় এক বৃদ্ধকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মানুষ মেরে খাওয়ার উদ্দেশ্যেই খুন করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে।

ঘটনার পরেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুরে স্থানীয় একটি মেলার কাছেই একটি পুকুরের ধারে গলাকাটা অবস্থায় দেহটি উদ্ধার হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা পুকুরের ধারে অভিযুক্তকে মৃতদেহ ধুতে দেখে সন্দেহ হলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন। এরপরই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

 

জানা গিয়েছে, নিহত ব্যক্তির কোনও নির্দিষ্ট বাড়ি ছিল না। এলাকাতেই ঘুরে বেড়াতেন তিনি, স্থানীয় শ্মশানঘাটের কাছেই বসবাস করতেন বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জানুয়ারি দিনহাটার সীমান্ত সংলগ্ন কুড়শাহাট এলাকার একটি প্রত্যন্ত শ্মশান থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয়হীন ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃতদেহটির গলায় ও কাঁধে গভীর ক্ষতের চিহ্ন ছিল, যা দেখে প্রথম থেকেই খুনের সন্দেহ দানা বাঁধে। ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করে দিনহাটা সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ এবং দ্রুত একটি খুনের মামলা রুজু করা হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি গলা ও ঘাড়ে একাধিক আঘাত করে বৃদ্ধকে খুন করেন। খুনের পর মৃতদেহটি একটি পানীয় জলের কলের কাছে ধুয়ে পরে পুকুরের ধারে লুকিয়ে রাখা হয়।