আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে বাসযাত্রীদের কী কী সমস্যা পোহাতে হয়? সরজমিনে খতিয়ে দেখতেই অদ্ভুত কাণ্ড ঘটালেন খোদ রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী। চুপিসারে সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত চড়লেন একের পর এক বাসে। তবে কেউই প্রথমে বুঝতে পারেননি সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভিড়ে ঠাসা বাসে বসে আছেন মন্ত্রী। এরপরই প্রকাশ্যে এল বাসযাত্রীদের ভোগান্তির আসল ঘটনা। তারপরেই কড়া পদক্ষেপ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকে। কর্ণাটকের পরিবহন মন্ত্রী বাইরাথি সুরেশ শনিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ন'টা পর্যন্ত একাধিক রুটে সরকারি বাসে চেপে ঘুরছিলেন। তাঁর মুখে ছিল মাস্ক। যার ফলে কেউই তাঁকে একনজরে দেখে চিনতে পারেননি। ওই সময়ের মধ্যে জয়ামহল, টিভি টাওয়ার, আরটি নগর, সিবিআই রোড, হেব্বাল, মান্যতা টেক পার্ক, হেন্নুর, গেদ্দালাহাল্লি পর্যন্ত ঘুরে বেড়িয়েছেন তিনি।
হেব্বাল থেকে নাগাশেট্টি হাল্লি পর্যন্ত যাওয়ার জন্য বিএমটিসি বাসে চড়েছিলেন মন্ত্রী বাইরাথি। সাধারণ যাত্রীদের পাশেই সিটে বসেছিলেন। কন্ডাক্টর কাছে আসতেই দুটো টিকিট কাটতে বলেন তিনি। সঙ্গে ১০০ টাকার নোট দেন। কিন্তু মুখের ওপর কন্ডাক্টর বলেন, 'খুচরো দিন। ১০০ টাকা ভাঙিয়ে দিতে পারব না।'
এরপরই মন্ত্রী জানান, তাঁর কাছে খুচরো নেই। এই কথা শুনেই রেগেমেগে বাস কন্ডাক্টর বলেন, 'খুচরো টাকা না দিতে পারলে, এখনই বাস থেকে নেমে যান।' কন্ডাক্টরের কথা শুনেই কোনও প্রতিবাদ না করেই বাস থেকে নেমে যান বাইরাথি। এরপরই কড়া পদক্ষেপ। জানা গিয়েছে, ওই বাসের কন্ডাক্টর ও বাস চালককে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
শুধু বাসে নয়, গতকাল সন্ধ্যায় চুপিচুপি অটোতেও চড়ে পরীক্ষা করছিলেন, যাত্রীদের সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলি। বাসের মতোই অটোতেও বেজায় খারাপ অভিজ্ঞতা। অটোর মিটারে ৩০ টাকা ভাড়া দেখিয়েছিল। কিন্তু চালক চেয়েছিলেন ৩৬ টাকা। মন্ত্রী পরিচয় লুকিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেন, 'বেশি কেন নিচ্ছন?' তখন অটোর চালক জানান, মিটার খারাপ। শিগগিরই মেরামত করবেন। অবশেষে ৪০ টাকা অটো ভাড়া দিয়েই নেমে পড়েন তিনি।















