আজকাল ওয়েবডেস্ক: খাদ্যদ্রব্য, পেট্রোপণ্য, মৌলিক ধাতু এবং রাসায়নিকের দাম বৃদ্ধির কারণে ভারতে পাইকারি বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। মে মাসের যেখানে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৯.৬৮ শতাংশ। সেখানে জুন মাসে পাইকারি মূল্যসূচক অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতি বা ডব্লিউপিআই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৮৭ শতাংশ। সোমবার দেশের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক তরফে এমনই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাজারে খাদ্যপণের দাম বেড়েছে বাজারে। পাইকারী খাদ্য মূল্যসূচক যেখানে মে মাসে ছিল ৪.৪৯ শতাংশ। জুন মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.১৪ শতাংশ। অন্যদিকে জ্বালানির বাজার তুলনামূলক ভাবে কম উদ্বেগজনক। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে মূদ্রাস্ফীতি মে মাস থেকে জুন মাসে কিছুটা কমে ২৭.৪১ শতাংশ হয়েছে। যদিও তা সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরেই রয়েছে। খনিজ ও পেট্রোপণ্যের দাম বছরে ৪৬.৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা মুদ্রাস্ফীতির ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যস্ফীতিও খানিকটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪.৭৫ শতাংশতে। তবে বিদ্যুতের দামের ক্ষেত্রে এখনও সে অর্থে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়নি।
রিপোর্টে উৎপাদন ক্ষেত্রে জোড়া ধাক্কার আঁচ পাওয়া গিয়েছে। উৎপাদিত পণ্যের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ৭.৪৮ শতাংশে। যা অপরিবর্তিতই রয়েছে। তবে রাসায়নিক (১২.৭৮ শতাংশ), মৌলিক ধাতু (১২.৩১শতাংশ), বস্ত্র (১০.৮৫ শতাংশ) এবং ইলেকট্রিক্যাল সরঞ্জামের (১১.০৩ শতাংশ) দাম বেড়ে দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছে। যদিও ইলেকট্রনিক পণ্যের দাম ১.৫৩ শতাংশ কমেছে।
জুন মাসে উৎপাদন ক্ষেত্রে 'ইনপুট প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স' (আইপিপিআই) ১০৪.৯ থেকে বেড়ে ১০৭.১ হয়েছে। যার অর্থ শিল্প কারখানাগুলিতে কাঁচামাল ও পণ্য তৈরির খরচ আগের চেয়ে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।
এছাড়াও, গত এপ্রিল মাসের চূড়ান্ত পাইকারি মূদ্রাস্ফীতির হিসাবও প্রাথমিক অনুমান ছিল ৮.২৬ শতাংশ। যা বেড়ে হয়েছে ৮.৩৬ শতাংশ।
















