আজকাল ওয়েবডেস্ক: গত পাঁচ দিন ধরে টানা বৃষ্টিতে মণিপুরের ইম্ফল উপত্যকা জুড়ে মারাত্মক বন্যা পরিস্থিতি। এখনও পর্যন্ত ভয়াবহ দুর্যোগের বলি হতে হয়েছে ৩৮০২ জন মানুষকে। বন্যার কবলে পড়ে আহত হয়েছেন দু’জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬৪ গবাদি পশুর। শনিবার এমনটাই জানিয়েছে রাজ্য সরকার এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর। জানা গিয়েছে, ইম্ফল, নাম্বুল এবং ইরিল নদীর জলস্তর বিপদসীমা পার করে যাওয়ায় একাধিক জায়গায় নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা।
ইম্ফল ইস্ট জেলার খুরাই হেইক্রুমাখং এবং কন্থা আহালুপ অঞ্চলের অনেকটা এলাকা জুড়ে জলে কার্যত ভেসে গিয়েছে। ভারতীয় মৌসম ভবন জানিয়েছে, রবিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ইম্ফল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। কাংপোকপির সাইকুলে ১৬ মিলিমিটার, নোনে জেলার খৌপুমে ২৪ মিলিমিটার এবং ইম্ফল ওয়েস্টে ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাত ৩টা থেকে সকাল পর্যন্ত কাংপোকপিতে ৪৯ মিলিমিটার, নোনেতে ৯১ মিলিমিটার এবং ইম্ফল ওয়েস্টে ৮২.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
নদীর জল ঢুকে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৮৮৩টি বাড়ি। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, ৭২০ জনকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সাহায্যে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইম্ফল ইস্ট জেলায় ৬টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং দমকলের যৌথ প্রচেষ্টায় উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ চলছে। নৌকা ব্যবহার করে দুর্গতদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। জেলা প্রশাসনের তরফে জরুরি সাহায্যের জন্য চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর।
















