আজকাল ওয়েবডেস্ক: দক্ষিণ দিল্লির লাজপতনগরে বুধবার রাতে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে। এক মহিলা ও তাঁর কিশোর ছেলেকে বাড়ির পরিচালক নৃশংসভাবে খুন করেছে। গৃহকর্ত্রী পরিচালককে ধমকার প্রতিশোধ হিসাবেই এই খুন বলে পুলিশ জানিয়েছে। 

দিল্লি পুলিশের মতে, ২ জুলাই রাত ৯.৪৩ নাগাদ ঘটনাটি জানাজানি হয়। মৃতের স্বামী কুলদীপ সেওয়ানি বাড়ি পোঁছে তাঁর স্ত্রী রুচিকা সেওয়ানি এবং তাঁদের পুত্র কৃষকে বার বার ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কেই সাড়া দেননি। এরপরই মাটির দিকে তাকেতেই কুলদীপ দেখেন বাড়ির সিঁড়ি এবং দরজায় রক্তের দাগ। সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবেশীদের ডাকেন কুলদীপ। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। 

স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও)-সহ পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালাবদ্ধ দরজা ভাঙে। তারা ৪২ বছর বয়সী রুচিকা সেওয়ানী এবং তাঁর ১৪ বছরের ছেলের মৃতদেহ দেখতে পান।

রুচিকাকে শোবার ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। আর তাঁর ছেলের মৃতদেহ বাথরুমে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দু'জনকেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রুচিকা সেওয়ানির স্বামী কুলদীপ, লাজপতনগর বাজারে একটি পোশাকের দোকানের মালিক ছিলেন। তাদের ছেলে কৃষ দশম শ্রেণীর ছাত্র।

সেওয়ানি পরিবারের পরিচারক এবং গাড়িচালকের কাজ করতেন বিহারের বাসিন্দা মুকেশ (২৪)। সে স্থানীয় অমর কলোনীতে বসবাস করে। মুকেশ পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুকেশ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গিয়েছে। সে তদন্তকারীদের জানিয়েছে যে, রুচিকার সাম্প্রতিক বকাঝকার কারণেই এই হিংসার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে এবং আরও তদন্ত চলছে।