আজকাল ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বেসরকারি স্কুলের এক ছাত্রকে 'বলি' দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় জেলা শিক্ষা আধিকারিক স্বাতী ভারতি স্কুলটিকে বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি আরও অভিযোগ উঠছে, স্কুলটিকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত চালানোর অনুমোদন দেওয়া ছিল। কিন্তু অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সেখানে পঠন-পাঠন হত। যা নিয়ে জেলা শিক্ষক আধিকারিকদের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এদিকে ছাত্রকে বলি দেওয়ার অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, স্কুলের উন্নতির জন্য কুসংস্কারে বশবর্তী হয়ে নরবলির অভিযোগ! প্রাথমিক তদন্তে তেমনটাই মনে করছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে হাথরাসে। হোস্টেলের এক কর্মী এবং অন্যান্য পড়ুয়ারা দ্বিতীয় শ্রেণির এক পড়ুয়াকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। তারপরেও কর্তৃপক্ষ ওই দেহ নিয়ে দীর্ঘ সময় টালবাহানা চালায় বলে অভিযোগ। শিশুটির পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছিল, শিশুর অসুস্থতার কথা জানিয়ে। হস্টেলে পৌঁছে তারা ওই শিশুটিকে প্রথমে খুঁজে পায়নি বলেও অভিযোগ। পরে অভিযুক্তদের গাড়িতেই ছেলের দেহ মেলে।

 

স্কুলের ডিরেক্টর দীনেশ বাঘেল, তার বাবা যশোধন সিং, এবং লক্ষ্মণ সিং, বীরপাল সিং, রামপ্রকাশ সোলাঙ্কি নামের তিন শিক্ষক এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িত। তদন্তে নেমে পুলিশ কালাজাদুতে ব্যবহৃত নানা সামগ্রীর খোঁজ পেয়েছে।