আজকাল ওয়েবডেস্ক: শিক্ষকই 'টুকলি' করতে সাহায্য করছেন ছাত্রদের! এও সম্ভব? পরীক্ষার হলে নজরদারির বদলে ছাত্রছাত্রীদের টুকলি করতে সাহায্য করছেন খোদ শিক্ষকরাই। মহারাষ্ট্রের বিড জেলায় উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই ধরা পড়ল এমন বেনজির ছবি। চাঞ্চল্যকর এই দৃশ্য ড্রোন ক্যামেরায় ধরা পড়তেই ব্যাপক শোরগোল। ‘গণটোকাটুকি’র জেরে শেষমেশ কড়া পদক্ষেপ করল প্রশাসন। মঙ্গলবার পাঁচ শিক্ষককে কাজ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি ছিল মহারাষ্ট্র বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার প্রথম দিন। বিডের চৌসালা এলাকার একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি চালাচ্ছিল প্রশাসন। সেই ড্রোনের ফুটেজেই দেখা যায়, ১৬টি ঘরে শিক্ষকরা ছাত্রদের আটকানোর বদলে উল্টে টুকলি করতে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই জেলাশাসক বিবেক জনসন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার নির্দেশ দেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই ১৭ জন শিক্ষকের নামে এফআইআর করেছে।
জানা গিয়েছে, শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশে লিম্বাগণেশের একটি স্কুলের ৫ শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বাকি ১২ জন শিক্ষকও এখন তদন্তের আওতায়। দোষ প্রমাণ হলে তাঁদের কপালে কী রয়েছে, তা নিয়ে জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
অন্যদিকে, সাতপাক সারা। এমনকী সম্পন্ন বিয়ের সব আচার-অনুষ্ঠানও। শুধু 'বিদায়' বাকি। এদিকে বিদায় পর্বের ঠিক শেষ মুহূর্তেই উত্তরপ্রদেশের বারাবাঁকির এক বিয়েবাড়িতে শুরু হল তুমুল অশান্তি। প্রকাশ্যে এল এক বিস্ফোরক তথ্য- স্বয়ং পাত্রই আসলে 'রূপান্তরিত'!
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে কোঠি থানা এলাকার ওই গ্রামে ধুমধাম করে বরযাত্রী এসেছিল। রাতভর বাসর রাত, হাসি-আনন্দের মধ্যে দিয়ে বিয়ের সব নিয়ম-কানুনই ঠিকঠাক পালন করা হয়। কিন্তু শনিবার সকালে বিদায়ের ঠিক আগে হঠাৎই ছন্দপতন ঘটে। কনেপক্ষের কাছে খবর পৌঁছায় বরের আসল পরিচয় নিয়ে।
জোর শোরগোল শুরু হতেই গা-ঢাকা দেন পাত্রপক্ষের অধিকাংশ অতিথি ও আত্মীয়। তবে পাত্র এবং তাঁর মাকে আটকে দেন কনের বাড়ির লোকেরা। শুরু হয় চরম বচসা। ভিড় জমান গ্রামবাসীরাও। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এলাকায় উত্তেজনা বজায় থাকে।
জানা গিয়েছে, বিদায়ের ঠিক আগে একদল 'কিন্নড়' আশীর্বাদ করতে ওই বিয়েবাড়িতে এসেছিলেন। তাঁরাই পাত্রকে দেখে চিনে ফেলেন। এর পরেই সব জানাজানি হয়ে যায় এবং বিয়ে বাতিল করে দেওয়া হয়। সত্য ফাঁস হতেই ধুন্ধুমার কাণ্ড৷ কনেপক্ষ বিষয়টি যাচাই করতে চাইলে পাত্র তা অস্বীকার করেন। অভিযোগ, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং নিজেদের মান বাঁচাতে কনেপক্ষকে ২৩ হাজার টাকা দেওয়ারও প্রস্তাব দেয় বরের পরিবার।
খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছায় পুলিশ। দুই পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন আধিকারিকরা। তবে পুলিশ জানিয়েছে, কোনও পক্ষই এখনও পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। তাই আইনি কোনও পদক্ষেপও করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ৷
