আজকাল ওয়েবডেস্ক: আট থেকে আশি, এমনকী শিশুরাও ঢকঢক করে গেল ভেজাল দুধ! তাতেই মেশানো রাসায়নিক। শুধু কী তাই! ডিটারজেন্ট পাউডার, পাম ওয়েল মেশানো সিন্থেটিক দুধ দেদার বিক্রি হল মাসের পর মাস। অবশেষে বিরাট দুর্নীতি ফাঁস।‌

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রে। সম্প্রতি মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বড়সড় এই দুর্নীতি ফাঁস করেছে। প্রকাশ্যে এসেছে ভেজাল দুধ বিক্রির বিরাট দুর্নীতি। তথ্য অনুযায়ী, গত ছ'মাসে বিক্রি হয়েছে ২.৩ কোটি লিটার ভেজাল দুধ। 

 

তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওই ২.৩ কোটি লিটার দুধে মেলানো হয়েছিল নিম্নমানের দুধের গুঁড়ো, ডিটারজেন্ট এবং রাসায়নিক। ওই পরিমাণ দুধের মধ্যে মেশানো হয়েছিল ২.৩ লক্ষ কেজি দুধের গুঁড়ো। মাত্র ১০ শতাংশ ছিল খাঁটি দুধ। সেই ভেজাল দুধ মাসের পর মাস কয়েক হাজার পরিবারের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। যার বাজারদর ৯.২১ কোটি টাকা। 

 

সূত্রের খবর, ওই ভেজাল দুধ তৈরি করা হয়েছিল এক কাপড় কাচা ডিটারজেন্ট, পাম ওয়েল, নিম্নমানের রাসায়নিক। যা একনজরে দেখতে আসল দুধের মতোই। এমনকী ফ্যাটের পরিমাণ আসল দুধের মতোই। 

 

মহারাষ্ট্র সরকারের 'সেফ ফুড, সেফ মহারাষ্ট্র' উদ্যোগে এই অভিযান চালায় মহারাষ্ট্র এফডিএ। এই ভেজাল দুধের কারবার চলছিল পুনে, আহমেদনগর, সোলাপুর, জালনা, থানেতে। এই ভেজাল দুধের দুর্নীতি ঘিরে এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন আধিকারিকরা‌। ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। পাঁচটি খাবারের সাপ্লায়ারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এখনও বহু অভিযুক্ত পলাতক। এই ঘটনায় সিট গঠন করা হয়েছে।