আজকাল ওয়েবডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টি। গত কয়েকদিনে কেবল সোশ্যাল মিডিয়া নয়, তুমুল শোরগোল দেশের রাজনীতিতেও। দিন কয়েক আগেই এই দলের আত্মপ্রকাশ। কয়েকদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলোয়ার সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে বিজেপি, কংগ্রেসকেও। অনেকেই  'ককরোচ জনতা পার্টি'-কে নিছকই একটি 'সোশ্যাল মিডিয়া গিমিক' বা প্রচারের কৌশল হিসেবে দেখছেন। অনেকেই আবার যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করছেন। 

এসবের মাঝেই সামনে এসেছ 'প্যারাসাইটিক ফ্রন্ট'। অনেকেই বলছেন ককরোচ জনতা পার্টিরত প্রতিপক্ষ হিসেবেই সামনে এসেছে প্যারাসাইটিক ফ্রন্ট। দুটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ মুলত রাজনৈতিক ব্যঙ্গ থেকেই। প্যারাসাইট ফ্রন্টও মূলত জেন-জি'দের দ্বারাই তৈরি করা, সূত্রের তথ্য তেমনটাই। 

অন্যদিকে, 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক করা নিয়ে বিতর্কের মাঝে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর এই অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অ্যাকাউন্টটি ব্লক করাকে 'বিপর্যয়কর এবং অত্যন্ত অবিবেচনাপ্রসূত' আখ্যা দিয়ে থারুর বলেন, তরুণদের "নিজেদের প্রকাশ করার" জন্য একটি মাধ্যম থাকা উচিত।

কংগ্রেস সাংসদ আরও জানান যে, 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র এই আকস্মিক উত্থানে তিনি "কৌতূহলী" হয়েছেন। শশী থারুর এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন, 'আমি #ককরোচজনতাপার্টি-র উত্থানে অত্যন্ত কৌতূহলী।' এক্স অ্যাকাউন্টটি আনব্লক করার আহ্বান জানিয়ে থারুর লিখেছেন, 'আমি তরুণদের হতাশা বুঝতে পারছি এবং কেন তারা এর সঙ্গে একাত্মতা বোধ করছে, তাও দেখতে পাচ্ছি। ঠিক এই কারণেই এক্স-এ অ্যাকাউন্টটি আটকে রাখা বিপর্যয়কর এবং অত্যন্ত অবিবেচনাপ্রসূত - তরুণদের তাদের অনুভূতি প্রকাশের জন্য একটি মাধ্যম থাকা উচিত এবং তাই, সিজেপি-র অ্যাকাউন্টটি বন্ধ না করে চালু রাখতে দিন!' তিনি আরও যোগ করেন, "গণতন্ত্রে ভিন্নমত, হাস্যরস, বিদ্রূপ এবং এমনকি হতাশা প্রকাশেরও মাধ্যম প্রয়োজন।"


যদিও থারুর বলেছেন যে তিনি এই আন্দোলনের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনিশ্চিত, তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, যাঁরা এই সোশ্যাল মিডিয়া পেজ বানিয়েছেন, তাঁরা এটিকে মূলধারার রাজনীতিতে নিয়ে আসার একটি উপায়ও খুঁজে বের করবেন।