আজকাল ওয়েবডেস্ক: শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় লাদাখের সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দিকে, আগামী ২০ জুলাই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র ‘সংসদ চলো’ অভিযান ঘিরে পারদ চড়ছে রাজধানীতে। 

দিল্লি পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই অভিযানের কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না। যন্তর মন্তরের বর্তমান অবস্থানটিকে ‘বেআইনি’ আখ্যা দিয়ে পুলিশ হুঁশিয়ারি দিয়েছে, সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলেই কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনেই এই সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, ওয়াংচুকের অনশন আন্দোলন তিন সপ্তাহে পড়ায় তাঁর প্রতি রাজনৈতিক সমর্থনও বাড়ছে। এই জোড়া ফলায় দিল্লির রাজনৈতিক মহল এখন সরগরম।

দিল্লি পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের দাবি, সংসদের চারপাশ অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকা। সেখানে এত বড় জমায়েত হলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে। পাশাপাশি মধ্য দিল্লির ট্রাফিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কেউ নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হবে।

দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে ওয়াংচুকের স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। তার পরেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, টানা অনশনের কারণে তিনি কিছুটা দুর্বল ও ডিহাইড্রেশনে ভুগলেও বর্তমানে স্থিতিশীল।

উদ্বেগ বাড়িয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সিজেপি-র মুখপাত্র অভিজিৎ দিপকে এই অভিযানের জন্য কোনও আগাম অনুমতি নেননি। পুলিশের দাবি, যন্তর মন্তরে মাত্র এক দিনের বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল এবং তার জন্য মুচলেকাও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও অনুমতি ছাড়াই ধর্না চালানো হচ্ছে।

অন্য দিকে, আন্দোলনকারী ও বিরোধী নেতারা ওয়াংচুকের পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সরব হয়েছেন। ফলে, সংসদের অধিবেশন শুরুর আগেই দিল্লির অন্দরে উত্তেজনা তুঙ্গে।