আজকাল ওয়েবডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই ধূমপায়ীদের জন্য দুঃসংবাদ। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আরও দামি হতে চলেছে সিগারেট, বিড়ি, পান মশলা।
বুধবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক বসানো হবে তামাকজাত দ্রব্যের উপর। নতুন কর বসানো হবে পান মশলার উপর। এর ফলে তামাকজাত দ্রব্য ও পান মশলার উপর নতুন জিএসটি হার অনেকটাই বেশি হবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘১ ফেব্রুয়ারি থেকে পান মশলা, সিগারেট সহ অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্যের উপর ৪০ শতাংশ হারে জিএসটি বসবে। বিড়ির উপর বসবে ১৮ শতাংশ জিএসটি।’ এর বাইরে পান মশলার উপর নতুন করে কর বসানো হবে। অর্থাৎ অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক বসানো হবে।
অর্থ মন্ত্রকের তরফে বুধবার জানানো হয়েছে, জর্দা, সুগন্ধি তামাক এবং গুটখা প্যাকিং মেশিনে নতুন করে কর বসানো হবে। এটা ঘটনা, সংসদে গত ডিসেম্বরেই এই সংক্রান্ত দুটি বিল পাস করা হয়েছে। আর বুধবার কেন্দ্রের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল নতুন বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই এই কর কার্যকর করা হবে।
এটা ঘটনা, ডিসেম্বর থেকেই সিগারেটের দাম বেড়েছে। আর নতুন করে কর বসানোর ফলে তা আরও বাড়তে চলেছে।
এদিকে, ২১ নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে চারটি শ্রম কোড কার্যকর করেছে। এই চারটি কোডকে সরকার ‘ব্রিটিশ আমলের শ্রম আইনের অবসান’ এবং ‘শ্রম সংস্কার’ হিসেবে তুলে ধরলেও শ্রমিক সংগঠনগুলির মতে এটি কার্যত শ্রমিক অধিকারের উপর একটি সরাসরি আক্রমণ।
কর্পোরেট জগতের তরফে এই শ্রম কোডগুলিকে স্বাগত জানানোই স্পষ্ট করে দেয়, এই সংস্কার আদতে কাদের স্বার্থ রক্ষা করছে। ট্রেড ইউনিয়নগুলির দাবি, নতুন শ্রম কোড কার্যকর হলে শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকার, কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা, ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা মারাত্মকভাবে খর্ব হবে। সেই কারণেই আগামী দিনে দেশজুড়ে আন্দোলন তীব্রতর হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।
এই শ্রম কোডগুলির সংসদীয় অনুমোদন প্রক্রিয়াকেই প্রথম থেকেই ‘অগণতান্ত্রিক’ বলে দাবি করে আসছে শ্রমিক সংগঠনগুলি। ২০২০ সালে কৃষি আইন পাশ ঘিরে সংসদে তীব্র অস্থিরতার মধ্যেই কোনও আলোচনা ছাড়াই চারটির মধ্যে তিনটি বিল পাশ করানো হয়। এর প্রতিবাদে ট্রেড ইউনিয়নগুলি একাধিকবার দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘট ডাকে। তবু সমস্ত আপত্তি উপেক্ষা করেই সরকার কোডগুলি কার্যকর করার পথে এগিয়েছে।
