আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন কয়েক ঘণ্টা আগেই। আর তারপরেই মিলল রাজ্যসভার টিকিট। রাজ্যসভার নির্বাচনের জন্য তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি।

আর টিকিট পেয়েছেন তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইক, সুখেন্দু শেখর রায় এবং সুস্মিতা দেব। তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ বৃহস্পতিবার বিকেলে সল্টলেকের রাজ্য বিজেপি দপ্তরে গিয়ে যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে।

তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যসভার নির্বাচনের জন্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। সেখানে নাম রয়েছে সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুখেন্দু শেখর রায়ের।

সুস্মিতা দেব বলেন, 'আমি অসমের মেয়ে হলেও এর আগে দু'বার বাংলা থেকে রাজ্যসভায় গিয়েছি। আমাকে আরও একবার বাংলা থেকে রাজ্যসভার জন্য পাঠাচ্ছে বিজেপি। এর আগে আমি বিরোধী হিসেবে রাজ্যসভায় থেকেছি।'

তিনি আরও জানান, 'এবার বিজেপি আমাকে পাঠাচ্ছে। আমি রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বের কাছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে আমি থ্যাঙ্কফুল। আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, শুধু বাংলা নয়, বাংলার প্রতিনিধি হিসেবে এবং আমি অসমের মেয়ে হওয়ার কারণে দুটো রাজ্যের সামগ্রিক যা কিছু আমার হাতে থাকবে, আমি সমস্ত রকম ভাবে দেখব।'

উল্লেখ্য, জল্পনার অবসান ঘটল বৃহস্পতিবার। বিজেপির রাজ্যসভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগদান করলেন তৃণমূল ত্যাগী তিন সাংসদ সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুখেন্দু শেখর রায়।

রাজ্যসভায় তৃণমূলের ধস নামিয়ে, সুখেন্দু শেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক, সুস্মিতা দেব সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। তাঁদের তিন আসনেই ভোট ঘোষণা করেছে কমিশন।

ভোট ঘোষণার পরেই জল্পনা ছিল, প্রকাশ চিক এবং সুখেন্দু শেখর এবার ভোটে প্রার্থী হচ্ছেন বিজেপি থেকে। যদিও প্রাথমিকভাবে দু'জনেই এই প্রসঙ্গে মুখ না খুললেও, বৃহস্পতিতে জোর জল্পনা দুপুর থেকে।

তাঁদের ছেড়ে আসা আসনেই, এবার ভোট লড়বেন তিন প্রাক্তন সাংসদ? যদিও দলে যোগদানের পরেও, এই বিষয়ে মুখ খুললেন না কেউই। এদিন বিজেপিতে যোগ দিয়েও তৃণমূল কংগ্রেসকে একহাত নেন সুখেন্দু শেখর।

তিনি বলেন, তিনি যেভাবে মমতা ব্যানার্জিকে দূর থেকে থেকে ধারণা করেছিলেন, তৃণমূলের সংস্পর্শে এসে, বাংলায় এসে, মমতার যে রূপ দেখেছেন, তা স্পষ্ট। তৃণমূলের দুর্নীতির প্রসঙ্গ তাঁর মুখেও।

লোকসভার বিরোধী শিবিরের প্রসঙ্গ উঠে আসে সুস্মিতার বক্তব্যে। অসমের বিজেপি সরকারের প্রসঙ্গ টেনে, সুস্মিতা আর্জি জানান, বিজেপি, শুভেন্দু সরকারকে, দু'বছর সময় দেখলেই, চোখে পড়বে উন্নয়ন।