আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনী আচরণবিধি (MCC) লঙ্ঘনের এই অভিযোগটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৭০০ জন সচেতন নাগরিক, প্রাক্তন আমলা এবং শিক্ষাবিদদের এই সম্মিলিত অভিযোগ সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর ১৮ এপ্রিলের জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণকে  কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

অভিযোগের মূল জায়গাটি হল, লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের পদক্ষেপ ব্যর্থ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সরকারি গণমাধ্যম ব্যবহার করে বিরোধী দলগুলোকে নিশানা করেছেন। দূরদর্শন, আকাশবাণী এবং সংসদ টিভির মতো জনস্বার্থের অর্থে পরিচালিত মাধ্যমগুলোকে দলীয় প্রচারের কাজে লাগানো নির্বাচনী বিধির সাত নম্বর ধারার স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে দাবি করা হয়েছে।

আচরণবিধি অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন দল কোনওভাবেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা বা প্রচারযন্ত্রকে নিজেদের নির্বাচনী স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে না। অভিযোগকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এই ধরনের ভাষণ 'লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড' বা সব দলের জন্য সমান সুযোগের গণতান্ত্রিক অধিকারকে খর্ব করে। কংগ্রেস ও বামপন্থীদের মতো বিরোধী দলগুলোও এই একই অভিযোগে সরব হয়েছে। 

নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁদের জোরালো দাবি, অবিলম্বে এই ভাষণের বিষয়বস্তু খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং বিতর্কিত ওই ভাষণ সরকারি সমস্ত পোর্টাল থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক। পাশাপাশি, যদি এই ভাষণটি কমিশনের অনুমতি নিয়ে হয়ে থাকে, তবে বিরোধী দলগুলোকেও একই পরিমাণ সময় সরকারি সংবাদমাধ্যমে দিতে হবে বলে তাঁরা দাবি তুলেছেন।