আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল অন্ধ্রপ্রদেশ। আতশবাজির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ড। তার জেরেই বাড়ছে মৃত্যুমিছিল। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে কাকিনাড়া জেলার ভেটলাপালেম গ্রামে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে পাঁচ কিলোমিটার দূর থেকে। কারখানার আশপাশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আহত শ্রমিকদের ইতিমধ্যেই উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আজ শনিবার দুপুর ২টো বেজে ৪৫ মিনিট নাগাদ ওই আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়। সেই সময় কারখানায় মজুত ছিল প্রচুর পরিমাণে বাজি তৈরির মশলা, রাসায়নিক পদার্থ। বহু শ্রমিক সেই সময় কাজ করছিলেন কারখানার ভিতরে। বিস্ফোরণের পর কারখানার একাংশ পুড়ে খাক হয়ে গেছে।
জানা গেছে, মৃত শ্রমিকদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এই দুর্ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। বিস্ফোরণের খবর পেয়েই দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এখনও কারখানার মধ্যে অনেকের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত বছর জুন মাসে এমন আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল হায়দরাবাদ। রাসায়নিক কারখানায় ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণের জেরে কমপক্ষে ১০ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও ২০ জন।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছিল হায়দরাবাদের সিঙ্গারেড্ডি জেলার সিগাজি কেমিক্যালসের কারখানায়। পুলিশ জানিয়েছিল, সোমবার সকালে ওই কারখানায় ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণ ঘটে। দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। গোটা এলাকা ছেয়ে যায় কালো ধোঁয়ায়। স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে দমকলের ১১টি ইঞ্জিন, বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।
বিস্ফোরণের সময় কারখানায় বহু শ্রমিক ছিলেন। বিকট শব্দে কেঁপে উঠতেই অনেকেই পালিয়ে যান। আবার অনেকেই বিধ্বংসী আগুনের মধ্যে আটকে পড়েন। কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত আরও ২০ জন শ্রমিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অনেকেরই শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।
দমকল সূত্রে জানা গেছে, ট্যাঙ্কারে ব্যাটারি বিস্ফোরণ হয়। তার জেরে গোটা কারখানার একাংশ ভেঙে পড়ে। এমনকী ছাদটিও ভেঙে পড়েছে। ওই ট্যাঙ্কারের অদূ্রেই একাধিক ট্রাকে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। আগুনের শিখা আরও ছড়ালে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।
















