আজকাল ওয়েবডেস্ক: পরীক্ষা দিয়ে উঠেই সন্তানপ্রসব৷  তেলেঙ্গানার নাগারকুর্নুলে ঘটেছে। কিশোরী বয়সে সন্তান প্রসবের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রী সোমবার পরীক্ষা দিয়ে বেরোনোর কিছু পরেই মা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ১৬ বছর বয়সি ওই কিশোরী একটি আবাসিক স্কুলের ছাত্রী।

স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকেই পেটে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয় তার। মা তাকে তড়িঘড়ি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা সেখানে তাকে একটি স্ক্যান করানোর পরামর্শ দিলে তাঁরা পাশের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান।

সেখানে লাইনে অপেক্ষার সময় শৌচালয়ে গিয়েই প্রসব করেন ওই কিশোরী। শৌচালয়ের ভেতরে সদ্যোজাতকে দেখতে পেয়ে কর্মীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে মা ও শিশুকে উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালে পাঠায়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে মা ও শিশু- দুজনেই সুস্থ। অভিযোগ উঠেছে, ধরা পড়ার ভয়ে কিশোরী ও তার মা সদ্যোজাতকে শৌচালয়ের ডাস্টবিনে ফেলে রেখেছিলেন। যেহেতু ওই ছাত্রী নাবালিকা, তাই সে কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুরো বিষয়টি ‘পকসো’ আইনের আওতায় আনা হবে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত মাসেই মধ্যপ্রদেশের ধারের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী বোর্ড পরীক্ষা চলাকালীনই সন্তানের জন্ম দিয়েছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার দু’ঘণ্টা পর পেটে ব্যথা নিয়ে সে শৌচালয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ ফিরে না আসায় শিক্ষিকারা সেখানে গিয়ে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। পরে জানা যায়, নাচের একটি অনুষ্ঠানে এক যুবকের সঙ্গে তার আলাপ হয়েছিল। ওই যুবকই তাকে যৌন হেনস্থা করে এবং ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করেছিল।