ভারতীয় সমাজে কালো সুতো পরার রীতি বহু বছরের পুরনো। ছোট শিশু থেকে বড়, অনেকেই হাতে, পায়ে বা গলায় কালো সুতো বাঁধেন।
2
10
কারও মতে, এটি নজর লাগা থেকে রক্ষা করে, আবার কেউ মনে করেন এটি নেতিবাচক শক্তি দূরে রাখে।
3
10
জ্যোতিষশাস্ত্রেও কালো সুতোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ কিছু রাশির মানুষের জন্য এটি মানসিক শক্তি, আত্মবিশ্বাস এবং সৌভাগ্য বাড়াতে সাহায্য করতে পারে বলেই বিশ্বাস করা হয়।
4
10
জ্যোতিষবিদদের মতে, সব রাশির মানুষের ওপর কালো সুতোর প্রভাব এক রকম হয় না। তবে পাঁচটি রাশির জাতক-জাতিকারা তুলনামূলক বেশি উপকার পেতে পারেন বলে মনে করা হয়।
5
10
মেষ: মেষ রাশির মানুষেরা সাধারণত খুব সাহসী, পরিশ্রমী ও উদ্যমী হন। তবে তাঁরা অনেক সময় খুব তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কালো সুতো তাঁদের মন শান্ত রাখতে এবং নেতিবাচক প্রভাব থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। বিশেষ করে কাজের জায়গায় চাপ বা মানসিক অস্থিরতা কমাতে এটি উপকারী বলে মনে করেন অনেকে।
6
10
বৃশ্চিক: বৃশ্চিক রাশির মানুষ খুব আবেগপ্রবণ এবং গভীর চিন্তাভাবনা করেন। তাঁরা সহজে নিজের মনের কথা কাউকে বলেন না। অনেক সময় অতিরিক্ত সন্দেহ বা দুশ্চিন্তা তাঁদের সমস্যায় ফেলে। জ্যোতিষ মতে, কালো সুতো তাঁদের মানসিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং খারাপ নজর বা নেতিবাচক শক্তি থেকে রক্ষা করে।
7
10
মকর: মকর রাশির মানুষেরা কঠোর পরিশ্রমী হলেও জীবনে সাফল্য পেতে অনেক বাধার মুখে পড়েন। পরিশ্রমের ফল পেতে সময় লাগে। কালো সুতো তাঁদের ধৈর্য বজায় রাখতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়। অনেকেই শনিবার ডান পায়ে বা হাতে কালো সুতো বাঁধাকে শুভ বলে মানেন। কারণ এই রাশির সঙ্গে শনি গ্রহের সম্পর্ক রয়েছে।
8
10
কুম্ভ: কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকারা নতুন চিন্তাভাবনায় বিশ্বাসী হন। তবে অনেক সময় তাঁরা বেশি চিন্তা করেন এবং মানসিক চাপে ভোগেন। কালো সুতো তাঁদের মনোসংযোগ বাড়াতে এবং অস্থিরতা কমাতে সাহায্য করতে পারে বলে জ্যোতিষবিদদের মত।
9
10
মীন: মীন রাশির মানুষ খুবই সংবেদনশীল ও আবেগী হন। অন্যের কথা সহজেই মনে নেন। ফলে মানসিক আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে। কালো সুতো তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং মানসিকভাবে শক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
10
10
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কালো সুতো কোনও জাদু নয়। এটি মূলত বিশ্বাস, আত্মবিশ্বাস এবং মানসিক সুরক্ষার প্রতীক। জীবনে ভাল থাকতে হলে ইতিবাচক চিন্তা, পরিশ্রম এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।