অনেক সময় দেখা যায়, বাড়িতে হঠাৎ করেই পিঁপড়ে, তেলাপোকা, মাছি বা অন্য পোকামাকড়ের সংখ্যা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে গরম বা বর্ষার সময় এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
2
10
সাধারণভাবে আমরা মনে করি, বাড়ি ঠিকমতো পরিষ্কার না থাকলে বা খাবার ছড়িয়ে থাকলে এমন হয়। তবে বাস্তুশাস্ত্রে এর পিছনে আরও কিছু কারণের কথা বলা হয়েছে।
3
10
বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়িতে হঠাৎ অতিরিক্ত পোকামাকড় দেখা যাওয়া অনেক সময় নেতিবাচক শক্তির লক্ষণ হতে পারে। আবার কোন ধরনের পোকা কোথায় দেখা যাচ্ছে, তার উপরও আলাদা ইঙ্গিত নির্ভর করে।
4
10
বাস্তুমতে, বাড়িতে কালো পিঁপড়ে বেশি দেখা গেলে সেটিকে অনেক সময় শুভ বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে রান্নাঘর বা খাবারের জায়গায় কালো পিঁপড়ে দেখা মানে সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি বাড়তে পারে। অর্থলাভ বা ভাল খবর আসার সম্ভাবনা থাকে বলে বিশ্বাস করা হয়।
5
10
পিঁপড়ে অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তা অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকেও ইঙ্গিত করে। তাই শুধু শুভ ভেবে বসে থাকলে চলবে না।
6
10
লাল পিঁপড়েকে বাস্তুশাস্ত্রে খুব একটা শুভ মনে করা হয় না। বাড়িতে লাল পিঁপড়ে বেশি দেখা গেলে তা ঝগড়া-বিবাদ, মানসিক অশান্তি বা আর্থিক সমস্যার সংকেত হতে পারে বলে অনেকে মনে করেন। বিশেষ করে শোবার ঘর বা রান্নাঘরে এদের উপদ্রব বাড়লে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
7
10
বাস্তু মতে, তেলাপোকা, মাছি বা অন্য নোংরা পরিবেশে থাকা পোকামাকড় বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি বাড়ায়। এগুলি শুধু রোগ ছড়ায় না, সংসারে অশান্তির কারণও হতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
8
10
বিশেষ করে বাথরুম, রান্নাঘরের কোণ বা অন্ধকার জায়গায় যদি বেশি তেলাপোকা দেখা যায়, তাহলে সেটি বাড়ির শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার লক্ষণ বলেও ধরা হয়।
9
10
কী করলে এই সমস্যা কমবে? বাস্তু বিশেষজ্ঞরা কিছু সহজ উপায় মেনে চলার পরামর্শ দেন। যেমন বাড়ি সবসময় পরিষ্কার রাখুন, রান্নাঘরে খাবার খোলা অবস্থায় রাখবেন না, আবর্জনা জমতে দেবেন না, ঘরে পর্যাপ্ত আলো ও বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা রাখুন, নিয়মিত লবণ মেশানো জল দিয়ে মেঝে মুছতে পারেন, কর্পূর বা ধূপ জ্বালালে অনেকেই ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয় বলে মনে করেন।
10
10
শুধু বাস্তু নয়, স্বাস্থ্যবিধিও জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাস্তুশাস্ত্রের কথা বিশ্বাস করলেও বাস্তব কারণগুলিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক সময় আর্দ্রতা, নোংরা পরিবেশ বা খাবারের গন্ধের কারণেই পোকামাকড় বাড়িতে আসে। তাই নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।