শীতকালে প্রতিদিন স্নান করা উচিত কি না, এই প্রশ্ন অনেকের মনেই আসে। ঠান্ডার কারণে যেমন স্নান করতে ইচ্ছা করে না, তেমনই স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার দিকটাও মাথায় রাখতে হয়। শীতে প্রতিদিন স্নান করার কিছু সুবিধা যেমন আছে, তেমনই রয়েছে কিছু অসুবিধাও। সেগুলি কী কী জেনে নেওয়া যাক।
2
9
শীতকালেও শরীর ঘাম হয়, তেল তৈরি হয় এবং মৃত কোষ ঝরে পড়ে। প্রতিদিন স্নান করলে এগুলি পরিষ্কার হয়, রোমকূপ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা কমে এবং দুর্গন্ধ থেকেও রেহাই মেলে। বিশেষ করে অফিস বা সামাজিক অনুষ্ঠানে বেরোলে নিজেকে সতেজ ও আত্মবিশ্বাসী মনে হয়।
3
9
গরম জলে স্নান রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, পেশি শিথিল করে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। সর্দি-কাশির সময় নাক বন্ধ ভাব কমাতেও এটি উপকারী। প্রতিদিন স্নান শরীরকে ঋতুকালীন সংক্রমণের বিরুদ্ধে একটু হলেও শক্তিশালী করে।
4
9
স্নান শুধু শরীর নয়, মনকেও সতেজ করে। উষ্ণ জলে স্নান মানসিক চাপ কমায়, মন ভাল করে এবং দিনের শুরুতে নতুন উদ্যম দেয়। শীতের গুমোট দিনে এই অভ্যাসটা যেন এক ধরনের ‘রিসেট বাটন’-এর মতো কাজ করে।
5
9
শীতের কনকনে ঠান্ডায় প্রতিদিন স্নান করার কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে। তাই মাঝে মাঝে একদিন বাদ দেওয়াও ক্ষতিকর নয়।
6
9
শীতের বাতাস এমনিতেই শুষ্ক, তার উপর প্রতিদিন গরম জলে স্নান করলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে চুলকানি, খসখসে ভাব দেখা দিতে পারে। ত্বক বিশেষজ্ঞরা তাই কম স্নান করা বা উষ্ণ গরম জল ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
7
9
শীতের বাতাস এমনিতেই শুষ্ক, তার উপর প্রতিদিন গরম জলে স্নান করলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে চুলকানি, খসখসে ভাব দেখা দিতে পারে। ত্বক বিশেষজ্ঞরা তাই কম স্নান করা বা উষ্ণ গরম জল ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
8
9
প্রতিদিন স্নান মানেই বেশি গরম জল ব্যবহার, ফলে বিদ্যুৎ ও জলের খরচও বেড়ে যায়। মাঝে মাঝে স্নান বাদ দিলে যেমন ত্বকের উপকার হয়, তেমনই পরিবেশের প্রতিও দায়িত্বশীল হওয়া যায়।
9
9
এর উত্তর একটাই। ভারসাম্য। আপনি যদি নিয়মিত বাইরে যান, শরীরচর্চা করেন বা সহজেই ঘেমে যান, তাহলে প্রতিদিন স্নান করাই যুক্তিযুক্ত। তবে যদি বেশিরভাগ সময় ঘরেই থাকেন, তাহলে একদিন অন্তর স্নান করলেও সমস্যা নেই। শুধু মুখ, হাত ও পা পরিষ্কার রাখা জরুরি। স্নানের পর ভাল ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে শীতের ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।