প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা বা পিএম কিষাণ যোজনার ২৪ তম কিস্তির অপেক্ষায় দেশের বহু কৃষক। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের ২৩ তম কিস্তির টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।
2
11
এরপর দু’মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এখন পরবর্তী কিস্তির টাকা কবে মিলবে, তা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে বাড়ছে আগ্রহ। তবে এখনও পর্যন্ত ২৪ তম কিস্তি দেওয়ার নির্দিষ্ট তারিখ কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
3
11
পিএম কিষাণ যোজনার অধীনে দেশের যোগ্য কৃষকদের বছরে মোট ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এই টাকা একবারে দেওয়া হয় না।
4
11
বছরে তিনটি সমান কিস্তিতে ২,০০০ টাকা করে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠানো হয়। সাধারণত চার মাস অন্তর এই কিস্তি দেওয়া হয়ে থাকে। সেই হিসেবেই আগের কিস্তির সময়সূচি বিবেচনা করে পরবর্তী কিস্তি অক্টোবরের দিকে আসতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
5
11
তবে অক্টোবরেই টাকা আসবে—এমন কোনও নিশ্চিত তথ্য এখনও নেই। সরকারি ভাবে কিস্তি প্রকাশের দিনক্ষণ ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য সময়কে নিশ্চিত তারিখ হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। কেন্দ্রীয় সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশের পরই ২৪ তম কিস্তির সঠিক দিন জানা যাবে।
6
11
এদিকে, পরবর্তী কিস্তির টাকা পেতে কৃষকদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ঠিকঠাক রাখা প্রয়োজন। পিএম কিষাণের সুবিধাভোগীদের ক্ষেত্রে ই-কেওয়াইসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি জমির তথ্য সঠিকভাবে নথিভুক্ত এবং প্রকল্পের রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
7
11
এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ‘ল্যান্ড সিডিং’। কোনও কৃষকের জমির তথ্য সরকারি ভূমি রেকর্ডের সঙ্গে যাচাই করে পিএম কিষাণের রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকেই সাধারণভাবে ল্যান্ড সিডিং বলা হয়। প্রকল্পের সুবিধা প্রকৃত যোগ্য কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে এই তথ্য যাচাইয়ের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
8
11
অর্থাৎ, কোনও কৃষকের নাম পিএম কিষাণের সুবিধাভোগী তালিকায় থাকলেও জমি সংক্রান্ত তথ্যের ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলে পরবর্তী কিস্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই কৃষকদের নিজেদের জমির রেকর্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং আধার সংক্রান্ত তথ্য সঠিক রয়েছে কি না, তা আগে থেকেই যাচাই করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
9
11
বিশেষ করে উৎসবের মরসুম শুরু হওয়ার আগে কৃষকদের হাতে আর্থিক সহায়তা পৌঁছনোর সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা চলছে। সেই কারণেই অক্টোবর মাসে ২৪ তম কিস্তি আসতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে বিষয়টি এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত নয়।
10
11
তাই কৃষকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হল—শুধু সম্ভাব্য তারিখের উপর নির্ভর না করে পিএম কিষাণ সংক্রান্ত নিজেদের তথ্য ও প্রয়োজনীয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে রাখা।
11
11
কেন্দ্রের তরফে ২৪ তম কিস্তির আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ ঘোষণা হলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে। ততদিন পর্যন্ত অক্টোবরকে সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখা গেলেও নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে কোনও দাবি করা ঠিক হবে না।