সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনেই ফের চাপে ভারতীয় শেয়ার বাজার। মঙ্গলবার ব্যাপক বিক্রির জেরে ৫৫৫ পয়েন্টেরও বেশি পড়ল সেনসেক্স।
2
12
একইসঙ্গে নিফটি ২৩,৬৫০-এর নীচে নেমে গেল। বেসরকারি ব্যাঙ্ক এবং বড় মূলধনী সংস্থার শেয়ারে বিক্রির চাপই মূল সূচকগুলিকে টেনে নামায়।
3
12
এর পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, পশ্চিম এশিয়ায় চলতি উত্তেজনা এবং বাজারের মূল্যায়ন নিয়ে উদ্বেগও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে তুলেছে।
4
12
মঙ্গলবার দিনের শেষে সেনসেক্স ৫৫৫.২৩ পয়েন্ট বা ০.৭৩ শতাংশ কমে ৭৫,৫৭৭.৫৮ পয়েন্টে থামে। সোমবার ৭৬,১৩২.৮১ পয়েন্টে বন্ধ হওয়া সেনসেক্স এদিন ৭৫,৯৭০.২৮ পয়েন্টে শুরু হয়েছিল। দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৬,০১২.১১ এবং সর্বনিম্ন ৭৫,৫৫৩.৩৫ পয়েন্টে পৌঁছয় সূচক।
5
12
অন্যদিকে, নিফটি ফিফটি পড়েছে ১৪৪.০৫ পয়েন্ট বা ০.৬১ শতাংশ। দিনের শেষে নিফটি দাঁড়ায় ২৩,৬৩৫.১০ পয়েন্টে। এদিন ২৩,৭৪৩.১০ পয়েন্টে লেনদেন শুরু করে সূচকটি। পরে সর্বোচ্চ ২৩,৭৫৮.৯৫ এবং সর্বনিম্ন ২৩,৬২৩.১০ পয়েন্টে পৌঁছয়।
6
12
তবে বাজারের সব অংশে একই ছবি দেখা যায়নি। নিফটি ১০০ কমেছে ০.৪০ শতাংশ, নিফটি ২০০ পড়েছে ০.২৭ শতাংশ এবং নিফটি ৫০০ কমেছে ০.২২ শতাংশ।
7
12
বিপরীতে মিড ও স্মলক্যাপের কিছু সূচকে দেখা গিয়েছে কেনাকাটা। নিফটি মিডক্যাপ ৫০ বেড়েছে ০.২৩ শতাংশ, মিডক্যাপ ১০০ বেড়েছে ০.২০ শতাংশ এবং স্মলক্যাপ ১০০ উঠেছে ০.১৭ শতাংশ।
8
12
বাজারের উপর অন্যতম বড় চাপ তৈরি করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা এবং জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ব্রেন্ট ক্রুড -এর দাম ১.৭৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৮.৭০ ডলারে পৌঁছয়।
9
12
ভারত অপরিশোধিত তেলের আমদানির উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ফলে তেলের দাম দীর্ঘ সময় বেশি থাকলে আমদানি খরচ বাড়ার পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলির মুনাফার উপরও চাপ তৈরি হতে পারে।
10
12
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক মাসে মিডক্যাপ ও স্মলক্যাপ শেয়ারে যে তীব্র উত্থান হয়েছে, তা একই গতিতে বজায় রাখা কঠিন হতে পারে। বর্তমান অস্থিরতার মধ্যে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা আংশিক মুনাফা তুলে নিতে পারেন।
11
12
তুলনামূলকভাবে লার্জক্যাপ শেয়ার এবং নন-ইক্যুইটি ইটিএ-এ বেশি নজর দেওয়া নিরাপদ হতে পারে। হেল্থকেয়ার, টেলিকম, এফএমসিজি এবং আইটি মত ক্ষেত্রগুলি বাজারে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে বলেও তিনি মনে করছেন।
12
12
এদিন সেনসেক্স -এর মধ্যে BEL ১.৪৮ শতাংশ এবং আদানি পোর্ট ১.০৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে বিক্রির চাপই বাজারের গতিপথ নির্ধারণ করেছে।