২২ এপ্রিল থেকে ৭ মে। মাঝের কয়েকদিনে দফায় দফায় বৈঠকে বসেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান। ভারত শুরুতেই জানিয়েছিল, সঠিক সময়ে, সঠিক জবাব দেবে দেশ। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রেয়াত নয় কাউকেই।
3
9
ঠিক কী হল মাঝের কয়েকদিনে। কীভাবে ১৫ দিনে পরিকল্পনা অপারেশন সিঁদুরের? প্রত্যাঘাতের?
4
9
২৩ এপ্রিল- পহেলগাঁও হামলার পরের দিনেই একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে ভারত সরকার। ভারত-পাকিস্থান সিন্ধু চুক্তি স্থগিত করে দেশ।বলা হয়, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ না করা পর্যন্ত বহাল থাকবে সিদ্ধান্ত। আটারী সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত জানায় ভারত। ওই সীমান্ত পথে এদেশে প্রবেশ করেছেন যাঁরা, তাঁদের ১মে'র মধ্যে ফিরে যেতে হবে। পাকিস্তানিদের সার্ক(এসএএআরসি) ভিসা বাতিল করে। জানিয়ে দেওয়া হয়, যাঁরা এসপিইএস ভিসার আওতায় ভারতে রয়েছেন, তাঁদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ছাড়তে হবে।
5
9
বিদেশ সচিব জানান, নয়াদিল্লিতে পাকিস্তানি হাইকমিশনের সামরিক, নৌ ও বিমান উপদেষ্টাদের অবাঞ্ছিত হিসেবে ঘোষণা করেছে নয়াদিল্লি। তাঁদের ভারত ছাড়ার জন্য সময় দেওয়া হয় এক সপ্তাহ। জানানো হয়, ইসলামাবাদে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন থেকে নিজস্ব প্রতিরক্ষা,নৌ, বিমান উপদেষ্টাদের ফিরিয়ে নেবে ভারত।
6
9
২৪ এপ্রিল- বিহারের সভামঞ্চ থেকে মোদি সাফ জানান, রেয়াত নয় কাউকেই। ২৫ এপ্রিল- সর্বদল বৈঠক ডাকে কেন্দ্র।
7
9
২৯ এপ্রিল- প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। জানানো হয়, প্রতিক্রিয়ার ধরণ, লক্ষ্যবস্তু এবং সময় নির্ধারণে সেনাকে খোলা হাত।
8
9
৫মে- রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে নাগরিক প্রতিরক্ষা মহড়া পরিচালনা করার নির্দেশ দেয় কেন্দ্র।
9
9
৭ মে-প্রত্যাঘাত ভারতের। পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গিঘাঁটিতে চরম আঘাত ভারতের বাহিনী। পহেলগাঁও কাণ্ডের প্রত্যঘাত, অপারেশন সিঁদুর।