নীতীন নবীন মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জাতীয় সভাপতির পদ গ্রহণ করলেন। ৪৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তি জেপি নাড্ডার স্থলাভিষিক্ত হলেন। নাড্ডা বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতীন গড়করি এবং দলের আরও বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতার উপস্থিতিতে বিজেপির সভাপতি পদে শপথ নেন তিনি।
2
7
এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে, নীতীন নবীন দিল্লির ঝান্ডেওয়ালান মন্দির, বাল্মীকি মন্দির এবং কনট প্লেসের হনুমান মন্দির পরিদর্শন করেছেন। তিনি গুরুদ্বার বাংলা সাহেবও গিয়েছিলেন।মন্দির পরিদর্শনের সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন, দিল্লির বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব এবং দিল্লির মন্ত্রী পরবেশ সাহেব সিং ভার্মা।
3
7
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিজেপি সভাপতিকে নীতীন নবীনকে জেড (Z) ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিয়েছে। বর্তমানে নবীনকে ঘিরে রয়েছে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF) কমান্ডোরা। সূত্র মতে, গোয়েন্দা ব্যুরোর রিপোর্টের ভিত্তিতে কয়েকদিন আগে নবনির্বাচিত বিজেপি প্রধানকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল।
4
7
কে নীতিন নবীন? বিজেপির জাতীয় সভাপতির পদে অধিষ্ঠিত হওয়া সর্বকনিষ্ঠ নেতা। তিনি প্রয়াত বিজেপি নেতা এবং প্রাক্তন বিধায়ক নবীন কিশোর প্রসাদ সিনহার ছেলে। এছাড়াও তিনি বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পাঁচবারের অপরাজিত বিধায়ক।
5
7
২০০৬ সালে প্রথম উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নীতীন নবীন বিপুল ভোটে নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি সেই বিশেষ নির্বাচনে প্রায় ৬০,০০০ ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। গত বছর, নীতীন নবীন বিধায়ক ৫১,০০০ ভোটেরও বেশি ভোটে জয়লাভ করেছিলেন।
6
7
২০২৩ সালের নভেম্বরে ছত্তিশগড় বিধানসভা নির্বাচনে দলের কো-ইনচার্জ হিসেবে নীতীন নবীন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। সেবার বিধানসভা ভোটে বিজেপি ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলকে পরাজিত করে ঐতিহাসিক জয় হাসিল করেছিল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ছত্তিশগড়ের ১১টি আসনের মধ্যে ১০টি আসন জিতেছিল। দলের এই সাফল্যে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন নীতীন নবীন।
7
7
আরএসএস-এর পটভূমিতে, নবীনকে দলের মধ্যে একজন সাংগঠনিকভাবে দৃঢ় আদর্শগত যোগ্যতাসম্পন্ন নেতা। দলের সভাপতি পদে এই বদল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রজন্মগত পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে।