গত কয়েকদিন ধরেই গ্যাস সঙ্কট তীব্র হয়েছে। বাড়ছে আতঙ্ক। পরিস্থিতির উপর শুরু থেকেই লক্ষ্য রাখছে বাংলার প্রশাসন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দফায় দফায় বৈঠক করেছেন।
2
7
বৃহস্পতিবারেই রাজ্যে এলপিজি সঙ্কটের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করে নবান্ন। এই কন্ট্রোল রুমটি রাজ্যজুড়ে এলপিজির সঙ্কট, মজুতের অবস্থা এবং সরবরাহের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, ডিস্ট্রিবিউটর এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে যেকোনও সমস্যার দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবে।
3
7
তথ্য আদানপ্রদান ও সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় সহজ করতে ওএমসিগুলিকে নোডাল অফিসার নিয়োগ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
4
7
এলপিজি সরবরাহের ক্ষেত্রে কয়েকটি ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে রাজ্য। এর মধ্যে রয়েছে বাড়িতে রান্নার গ্যাস, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র, অঙ্গনওয়াড়ি ও আইসিডিএস কেন্দ্র, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি হোস্টেল বা আবাসন। পাশাপাশি, যেখানে জ্বালানি কম খরচ করা সম্ভব সেখানে কম খরচ করার কথাও বলা হয়েছে।
5
7
একদিকে রাজ্যে যেমন নজর পরিস্থিতির দিকে, তেমনই গ্যাস সঙ্কটকে হাতিয়ার করে সংসদেও সুর চড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার মহুয়া মৈত্র, জুন মালিয়া, মালা রায়, দোলা সেন, শতাব্দী রায়-সহ তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ দেখাতে দেখা যায়।
6
7
মহুয়া মৈত্র সংসদ ভবনের সামনে দাঁড়িয়েই বলেন, 'আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, সকল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সংসদের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। এই সঙ্কটের কালে মানুষ আতঙ্কিত।' বুকিংয়ের আড়াই দিনের মাথায় সিলিন্ডার মিলছে না বলেই অভিযোগ মহুয়ার। অভিযোগ, কেন্দ্রের বার্তার সঙ্গে বাস্তবের পরিস্থিতির কোনও মিল নেই আদতে।
7
7
মিতালী বাগ বলেন, 'মিড-ডে বলুন, বাড়ির রান্না বলুন, সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গ্যাস কর্পূরের মতো উধাও হয়ে গিয়েছে। আমরা তাই প্রতিবাদ জানাচ্ছি।' সঙ্গেই তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী সংসদে আসছেন না। তাই আমরা সংসদের বাইরে প্রতিবাদ করছি।'