বর্তমান সময়ে পুরুষদের মধ্যে হুহু করে কমছে শুক্রাণুর সংখ্যা। সাধারণের তুলনায় যখন শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায় তখন সেটাকে লো স্পার্ম কাউন্ট বা অলিগোস্পারমিয়া বলে। এই রোগের নেপথ্যে একাধিক কারণ থাকতে পারে। ছবি- সংগৃহীত
2
7
যদিও অধিকাংশ মানুষের ধারণা অতিরিক্ত সিগারেট খেলে বা তামাক সেবন করলে বুঝি শুক্রাণুর সংখ্যা কমে। কিন্তু সেটাই কারণ নয়, রয়েছে আরও একাধিক কারণ। কী কী সেগুলো? জেনে নিন। ছবি- সংগৃহীত
3
7
অতিরিক্ত ওজন বেড়ে গেলে শুক্রাণুর সংখ্যা কমতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত স্ট্রেস বা মদ্যপান করাও কিন্তু এই রোগের অন্যতম কারণ। ছবি- সংগৃহীত
4
7
যাঁরা ড্রাগস নেন তাঁদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা যায়। এছাড়া ইনফেকশন হলে অনেক সময় শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যেতে পারে। হরমোনাল ইমব্যালেন্স তো আছেই। ছবি- সংগৃহীত
5
7
থাইরয়েড হলে বা দীর্ঘদিন কোনও রোগের জন্য ওষুধ খেলে তার সাইড এফেক্টে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া যৌনতা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থেকে থাকলেও হয়। ছবি- সংগৃহীত
6
7
কখন বা কী করে বুঝবেন শুক্রাণুর সংখ্যা বা পরিমাণ কম? লাগাতার চেষ্টা করার পরও যখন সেই পুরুষের সঙ্গী বা স্ত্রী গর্ভধারণ করতে পারেন না। যৌন ইচ্ছে কমে যায় কারও কারও ক্ষেত্রে। অন্যান্য নানা সমস্যা দেখা দেয়। ছবি- সংগৃহীত
7
7
১ মিলিমিটার বীর্যে যখন ১৫ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকে, তখন সেটাকে লো স্পার্ম কাউন্ট হিসেবে গ্রাহ্য করা হয়। যদি একদমই স্পার্ম না থাকে তাহলে সেটাকে অ্যাজুস্পারমিয়া বলে।ছবি- সংগৃহীত