৩৫ এর পর নীরবে বাড়ে রোগের ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে ৬ স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি, কী কী?
নিজস্ব সংবাদদাতা
৩ জুলাই ২০২৬ ২১ : ২৭
শেয়ার করুন
1
9
উপসর্গ নেই মানেই সুস্থ, এমন নয়৷ নীরব রোগগুলো ধরা পড়ে কেবল পরীক্ষার মাধ্যমেই। ৩৫ বছর বয়স কেবল একটি সংখ্যা নয়, এই বয়সের পর থেকে নানা রোগের ঝুঁকি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
2
9
অথচ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনও উপসর্গ থাকে না। চিকিৎসকরা বলছেন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাই পারে নীরব বিপদকে আগেভাগে ধরে ফেলতে।
3
9
রক্তচাপ পরীক্ষা: উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন প্রায়ই কোনো লক্ষণ ছাড়াই থাকে। তাই ৩৫-এর পর অন্তত বছরে দু'বার রক্তচাপ মাপানো উচিত।
4
9
কোলেস্টেরল পরীক্ষা: ৩৫ বছর বয়স থেকে পুরুষদের এবং নারীদের নিয়মিত লিপিড প্যানেল পরীক্ষা করানো উচিত। উচ্চ কোলেস্টেরলের কোনো বাহ্যিক লক্ষণ থাকে না, অথচ এটি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের প্রধান কারণ।
5
9
ডায়াবেটিস: ৩৫ বছর বয়স থেকে প্রি-ডায়াবেটিস ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের পরীক্ষা করানো শুরু করা উচিত। বিশেষত যাদের ওজন বেশি, রক্তচাপ আছে বা পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস রয়েছে, তাদের জন্য এই পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। স্বাভাবিক থাকলে প্রতি তিন বছরে একবার করানো যথেষ্ট।
6
9
চোখের পরীক্ষা: দৃষ্টিশক্তি ঠিকঠাক মনে হলেও ৩৫-এর পর থেকে নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা করানো দরকার। গ্লুকোমা ও অন্যান্য চোখের সমস্যা অনেক সময় উপসর্গহীনভাবে বাড়তে থাকে।
7
9
ত্বক পরীক্ষা: ত্বকে অস্বাভাবিক তিল বা দাগ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বয়সের সঙ্গে বাড়ে।
8
9
দাঁতের পরীক্ষা: বছরে দুইবার দাঁতের পরীক্ষা ও স্কেলিং করানো উচিত। মুখের স্বাস্থ্য শুধু দাঁতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, অনেক গবেষণায় দেখা গেছে মাড়ির রোগ হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
9
9
চিকিৎসকরা বলছেন, সুস্থ থাকলেও নিয়মিত এই পরীক্ষাগুলো করানো প্রয়োজন। কারণ ভবিষ্যতের বড় বিপদ ঠেকাতে আজকের ছোট সতর্কতাই সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ।