আট থেকে আশি, নিত্যদিন ভারতীয়দের ডায়েটে দুধ থাকেই। চা থেকে শুধু ঘি, মিষ্টি, সবতেই দুধ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। যুদ্ধের জেরে এবার ডেয়ারি ইন্ডাস্ট্রিতেও প্রভাব পড়তে চলেছে।
2
8
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের ঝাঁঝ কমছেই না। বিশ্ববাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েই চলেছে। ভারতের বাজারেও একাধিক পণ্যের দাম বেড়েছে। এলপিজি সঙ্কটের সমাধান হচ্ছেই না।
3
8
এই আবহে রাজ্যে রাজ্যে দুধ সরবরাহেও টান পড়তে চলেছে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস ও জ্বালানির ঘাটতির জেরে দুধের প্যাকেট তৈরি হচ্ছে না বহু কারখানায়। কার্টুনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
4
8
বিভিন্ন রাজ্যের একাধিক কারখানা জানিয়েছে, গ্যাসের সরবরাহ নেই। এর জেরে দুধের প্যাকেট তৈরিতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে মহারাষ্ট্রে।
5
8
ওই কারখানার মালিকরা জানিয়েছেন, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আগামী ১০ দিনের মধ্যে বড় সঙ্কটের মুখে পড়তে চলেছে ডেয়ারি শিল্প।
6
8
ইতিমধ্যেই বহু রেস্তোরাঁ, হোটেল বন্ধ হয়ে গেছে। যার জেরে দুধের চাহিদাও কমেছে। ক্ষতি এড়াতে কম দামে মহিষ এবং গরুর দুধ বিক্রি করতে বাধ্য করা হচ্ছে ডেয়ারিগুলি।
7
8
তবে বড় বড় কোম্পানি যেমন, আমূল, মাদার ডেয়ারির ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। কারণ গ্যাসের পাশাপাশি জ্বালানি ও পিএনজি ব্যবহার করে এরা।
8
8
যদিও কেন্দ্রের তরফে বারবার আশ্বাস দিয়েছে, এলপিজি সঙ্কটের আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগের প্রয়োজন নেই। যুদ্ধের পরিস্থিতি জারি থাকলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতে আসছে এলপিজি বোঝাই দু’টি ট্যাঙ্কার।