আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৬। আপনি যদি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ফিক্সড ডিপোজিট থেকে সুদের আয় করে থাকেন, তাহলে সেই আয় অবশ্যই ITR-এ সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
2
11
কারণ, ব্যাঙ্কগুলি ইতিমধ্যেই FD-র সুদের তথ্য আয়কর দপ্তরের কাছে জমা দেয়। ফলে এই আয় গোপন করলে বা ভুল তথ্য দিলে আয়কর বিভাগের নোটিস, ITR-এ তথ্যের অমিল এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে।
3
11
করদাতারা খুব সহজেই তাঁদের FD-র সুদের পরিমাণ জানতে পারেন। এর মধ্যে Form 26AS, AIS এবং TIS আয়কর বিভাগের ই-ফাইলিং পোর্টাল থেকে সহজেই দেখা ও ডাউনলোড করা যায়। ITR জমা দেওয়ার আগে এই নথিগুলি মিলিয়ে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
4
11
ফিক্সড ডিপোজিট থেকে প্রাপ্ত সুদের আয় 'Income from Other Sources' শিরোনামের অধীনে দেখাতে হবে। এই আয় করদাতার মোট আয়ের সঙ্গে যোগ হয়ে প্রযোজ্য আয়কর স্ল্যাব অনুযায়ী কর ধার্য হবে।
5
11
তবে পুরনো কর ব্যবস্থায় পাঁচ বছরের ট্যাক্স-সেভিং FD-তে বিনিয়োগ করলে Income-tax Act, 1961-এর Section 80C অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করছাড়ের সুবিধা পাওয়া যায়।
6
11
পুরনো কর ব্যবস্থায় থাকা আবাসিক প্রবীণ নাগরিকরা Section 80TTB অনুযায়ী সেভিংস অ্যাকাউন্ট, FD এবং RD-র সুদের উপর সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত করছাড় দাবি করতে পারেন। তবে এই ছাড় প্রকৃত সুদের আয়ের বেশি হতে পারে না।
7
11
ITR দাখিলের সময় এই TDS-র টাকা মোট করের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। যদি অতিরিক্ত TDS কাটা হয়ে থাকে, তাহলে করদাতা রিফান্ডও পেতে পারেন।
8
11
আগে ৬০ বছরের কম বয়সিদের জন্য Form 15G এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য Form 15H ব্যবহৃত হত। তবে Income-tax Act, 2025 কার্যকর হওয়ার পর এই দুটি ফর্মের পরিবর্তে একীভূত Form 121 চালু করা হয়েছে।
9
11
নতুন Form 121 বয়সভিত্তিক নয় এবং সকল যোগ্য ভারতীয় আবাসিক করদাতার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য। যদিও এখনও অনেক ব্যাঙ্কের অনলাইন পোর্টালে Form 15G ও Form 15H দেখা যেতে পারে, ধীরে ধীরে সেগুলির জায়গায় Form 121 ব্যবহার করা হবে।
10
11
পুরনো কর ব্যবস্থায় ৬০ বছরের কম বয়সিদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ২.৫ লক্ষ টাকা এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ৩ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে, নতুন কর ব্যবস্থায় সকল ব্যক্তির জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ টাকা।
11
11
ITR জমা দেওয়ার আগে FD-র সুদের তথ্য AIS, TIS ও Form 26AS-এর সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিকভাবে সুদের আয় ঘোষণা করলে অপ্রয়োজনীয় নোটিস, জরিমানা এবং রিফান্ড সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।