ভারতীয় রেলের রিজার্ভ কামরা থেকেই দেদার চুরি বালিশ, কম্বল, চাদর। কয়েক কোটি টাকার রেলের সম্পত্তি চুরি ঘিরে দিন কয়েক ধরেই সমাজমাধ্যমে শোরগোল ছড়িয়েছে।
2
10
অনেক যাত্রীই মনে করেন, রিজার্ভ এসি কামরায় যে বালিশ, কম্বল, চাদর দেওয়া হয়, সেগুলো ফ্রিতে পাওয়া যায়। তাই চুপিসারেই অনেকেই নিয়ে যান।
3
10
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ভারতীয় রেলের এসি কামরা থেকে ১.২৭ কোটি চাদর, কম্বল, বালিশের কভার চুরি হয়েছে। রেলের ক্ষতি হয়েছে ১০০ কোটি টাকার বেশি।
4
10
কিন্তু ট্রেনের ওই বালিশ, কম্বল, চাদর বিনামূল্যে বিতরণ করা হয় না। চুরি করাও অপরাধ। যাত্রীদের হাতেনাতে ধরতে না পারলে, রেলের কর্মীদের থেকেই কেটে নেওয়া হয় বেতনের খানিকটা অংশ।
5
10
জানেন কি, ভারতীয় রেলের রিজার্ভ এসি কামরায় যাঁরা বালিশ, কম্বল, চাদর দেন, সেই কর্মীদের সামান্য বেতন থেকেই চুরি যাওয়া জিনিসের টাকা কেটে নেওয়া হয়।
6
10
সম্প্রতি রেলের এক কর্মী অমিত যাদব নামের এক রেলকর্মী এক ইউটিউবারকে এই অভিজ্ঞতাই ভাগ করে দিয়েছেন। অমিত ট্রেনের এসি কামরায় বালিশ, চাদর, কম্বল যাত্রীদের মধ্যে ভাগ করে দেন।
7
10
অমিত জানিয়েছেন, তাঁরা ১৪ হাজার টাকা বেতন থেকে একবার ৫০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছিল। কারণ, এক কামরা থেকেই একাধিক জিনিস চুরি যায়। সেই ক্ষতিপূরণ তাঁকেই দিতে হয়েছে।
8
10
প্রতিটি চুরি যাওয়া জিনিসের জন্য কত টাকা করে কেটে নেওয়া হয়? অমিত জানিয়েছেন, চুরি যাওয়া প্রতিটি তোয়ালের জন্য ৬০ টাকা কেটে নেওয়া হয় বেতন থেকে।
9
10
পাশাপাশি চুরি যাওয়া প্রতিটি চাদরের জন্য ২৫০ টাকা এবং প্রতি কম্বলের জন্য ৭০০ টাকা কেটে নেওয়া হয় মাসিক বেতন থেকে।
10
10
অমিত জানিয়েছেন, মাসের পর মাস ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পর থেকেই তিনি এখন অনেক বেশি সতর্ক। যাত্রীরা তোয়ালে চাইলে, তবেই তিনি দেন। ট্রেন থেকে যাত্রীরা নেমে পড়ার আগেই সব জিনিস গুছিয়ে নেন।