পৃথিবীকে যদি রক্ষা করতে হয় তাহলে সেখানে সবার আগে দরকার পৃথিবীর মাটিকে রক্ষা করা। প্রতিনিয়ত পৃথিবীর মাটি ক্ষয় হয়ে চলেছে।
2
9
গবেষকরা মনে করছেন মাটির এই ক্ষয়ের প্রধান কারণ হল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অতিরিক্ত বৃষ্টি। যত বেশি বৃষ্টি হবে ততই মাটি ধীরে ধীরে ধুয়ে চলে যাবে।
3
9
মাটিতে যে পরিমানে কার্বন থাকে সেটি দিয়ে গাছ বেঁচে থাকে। এই কার্বন গাছের দেহের একটি বিরাট পুষ্টি। এটিকে কাজে লাগিয়ে গাছ দীর্ঘজীবন ধরে অক্সিজেন তৈরি করে।
4
9
বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে মাটির চরিত্র বদল ঘটেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বৃষ্টির দিকেই। প্রতিটি বছর ধরে বৃষ্টির পরিমান বাড়ছে। ফলে সেখান থেকে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাটি।
5
9
পরীক্ষাগারে দেখা গিয়েছে প্রায় ২০ বছর আগের মাটিতে যে পরিমানে কার্বন থাকত এখন সেটি প্রায় নেই। ফলে সেখান থেকে এবার পৃথিবীর মাটিতে কার্বনের অভাব হবে।
6
9
মাটিতে প্রচুর কার্বনের অনু থাকে। তার ওপর ভরসা করে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে ছোটো জীবানুরা বেঁচে থাকে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টি সবেতেই জল ঢেলে দেয়।
7
9
গাছ যদি মাটি থেকে পর্যাপ্ত ব্যাকটেরিয়া না পায় তাহলে সে সঠিকভাবে অক্সিজেন তৈরি করতে পারবে না। এটি দেখা না গেলেও পরীক্ষাগারে প্রমাণ মিলেছে।
8
9
শুকনো মাটি সহজে ক্ষয় হয় না। গাছ সেখানে মাটিকে ধরে রাখে। এরপর টানা বৃষ্টি হলে সেই মাটি অতি সহজেই ধুয়ে গিয়ে নদীতে মিশছে। ফলে নদীর পলি ক্রমেই বাড়ছে।
9
9
মাটির চরিত্র সর্বদাই কার্বনের ওপর নির্ভর করে থাক। মাটিতে যদি কার্বন কম হয় তাহলে সেখানে বাড়তি সার সবার আগে গাছকেই তার শিকার করে।