১৫ মার্চ নন্দন-৩ প্রেক্ষাগৃহে স্পেশাল স্ক্রিনিং হবে নতুন বাংলা ছবি 'পিকলু'র৷ পিকলু একটি ছোট্ট মেয়ের গল্প যে ফিরে পেতে চায় তার শৈশব৷ কর্মব্যস্ত জীবন আর উচ্চাকাঙ্খা সেই শৈশবের পথে বাধা৷  সারাক্ষণ ইঁদূর দৌড়ে ছুটে বেড়ানোই জীবন৷ কিন্তু যে সাফল্যের জন্য এমন ছুট সেই সফলতা কি আদৌ ছুঁতে পারছে কেউ নাকি কেবল বয়ে যাচ্ছে সময় আর ফুরিয়ে যাচ্ছে মানুষ! 

ডিজিটাল যুগে দ্রুতগতি জীবনে সামাজিক এই অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটেই শান্তিনাথ মাহাতো নিবেদিত সিলভারলাইন মোশন পিকচার্স এবং পার্থ ডি মিত্র পরিচালিত ছবি 'পিকলু'। এই গল্প পিকলুকে ঘিরে৷ 

ছবিতে সিসি ওরফে চিত্রাঙ্গদা চক্রবর্তী চায় খ্যাতনামী মডেল হতে ৷ তাঁর সঙ্গী অয়ন চায় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠিত হতে৷ দু'জনের এক অনুষ্ঠানে দেখা, আলাপ থেকে প্রেম হয়৷ কাজের সূত্রে পরিচয় হলেও কিছুদিন পর অয়ন সিসিকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়৷ বিয়ের পর তাঁদের এক কন্যাসন্তান হয় যার নাম পিকলু৷ 


সাফল্যের পিছনে দৌড়তে গিয়ে পরিবারের জন্য সময় থাকে না৷ মাতৃত্বের স্বাদ পেতে পেশাজগতের বিরতি নেওয়া তখন অস্বস্তিতে পরিণত হয় সিসির কাছে৷ নতুন করে কাজ শুরু করলেও সমস্যা কমে না৷ বাবা মায়ের ব্যস্ত সময়ের মাঝে পিকলুর শৈশব কী ভাবে কাটবে? বাস্তব জীবনে বাবা মাকে না পেতে পেতে কল্পনায় পিকলু তার বাবা মাকে পেতে চায়৷ কিন্তু এর শেষ কোথায়?  

পিকলু কি আদৌ ফিরে পাবে তার পরিবার, শৈশবের স্নেহ? এই সময় প্রায় প্রতিটি পরিবারে বাবা এবং মা বাইরে কাজে যাওয়ায় বাচ্চার বেড়ে ওঠার সময়টা নিমেষে হারিয়ে যায়। সফলতার সঙ্গে কি পারিবারিক বন্ধনের এই বৈপরীত্য ঘুচবে কোনদিন? শিশু কি ফিরে পাবে তার কাঙ্খিত শৈশব? এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে দেখতে হবে পিকলু৷ দেবিকা সেনগুপ্ত এবং রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন সম্রাট মুখার্জী, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, তুলিকা বসু-সহ অনেকে৷ পিকলুর চরিত্রে দেখা যাবে পাভি রায়চৌধুরীকে৷