ইতিমধ্যেই বাংলার ৭৯ লক্ষ মা-বোনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে 'অন্নপূর্ণার যোজনা' প্রকল্পের টাকা পৌঁছে গিয়েছে।
2
7
তবুও এই প্রকল্পের ১২ পাতার লম্বা ফর্ম পূরণ করা নিয়ে সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়ে গিয়েছে।
3
7
এখনও অনেকের মনেই প্রশ্ন, একটা জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য কেন ১২ পাতার এত বড় এবং বিস্তারিত তথ্য সংবলিত ফর্মের প্রয়োজন হল?
4
7
এইসব প্রশ্নের উত্তরই মেটানোর চেষ্টা ক্রমাগত করে চলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
5
7
মন্ত্রীর কথায়, আবেদনপত্রের সমস্ত ঘর বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করতেই হবে, এমন কোনও কঠোর নিয়ম নেই। কোনও ঘর পূরণ করতে না পারলে সেখানে শুধু ‘নট অ্যাপ্লিকেবল’ লিখে দিলেই ফর্ম গ্রাহ্য হবে।
6
7
মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেছেন, "১২ পাতার যে ফর্মটি দেওয়া হয়েছে, সেটি নিয়ে একটি দাবি উঠেছে যে ফর্মটা যেন আরও একটু সহজ করা হয়। আমরা আমজনতার সেই দাবির কথা মাথায় রেখে ফর্মটিকে আরও সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার চেষ্টা করছি।"
7
7
আবেদনকারীদের মন্ত্রীর আশ্বাস, "ফর্মে যা যা ঘর রাখা হয়েছে, সেই সব কলামের পুরোটাই নিখুঁতভাবে পূরণ করতে হবে। তাতেও যে আবেদনকারী অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন, ব্যাপারটা কিন্তু একেবারেই তেমন নয়। সাধারণ মানুষের মনে যে ভয় কাজ করছে, তা দূর হওয়া দরকার। আমরা বারবার বলেছি, ফর্মে যেগুলো আপনারা অনায়াসে পূরণ করতে পারছেন, শুধু সেগুলোই করুন। যেগুলো বুঝতে পারছেন না বা আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, সেখানে স্পষ্ট করে লিখে দিন ‘নট অ্যাপ্লিকেবল’। এর জন্য কারোর আবেদন বাতিল হবে না।"