ইতিমধ্যেই রশ্মিকা মন্দানা এবং বিজয় দেবেরাকোন্ডা তাঁদের বিয়ের জল্পনায় সিলমোহর দিয়েছেন। তাঁদের জুটির নাম দিয়েছেন 'ভিরোশ'। দুই তারকা হায়দরাবাদ ছেড়ে বর্তমানে উদয়পুর উড়ে গিয়েছেন বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য। এখনও হাতে ২ দিন বাকি, হলে কী! এখনই জোরকদমে চলছে বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানার বিয়ের অনুষ্ঠান। দেখুন তাঁদের কোন কোন প্রাকবিবাহ অনুষ্ঠান ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি রশ্মিকা মন্দানা এবং বিজয় দেবেরাকোন্ডা ইনস্টাগ্রামে তাঁদের বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ঝলক পোস্ট করেছেন। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, ধীর গতিতে হলেও তাঁদের বিয়ের আগে বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজয় তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এদিন একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে পুলের ধারে তাঁদের মজা করতে দেখা গিয়েছে। পুল ভলিবল খেলায় মেতে উঠেছিলেন এই তারকা জুটি তাঁদের বিয়ের আগে। সঙ্গে একটি টেবিলে বেশ কিছু ফলের ছবিও পোস্ট করেছেন। জাপানিজ ডিনারের আয়োজন ছিল যে এদিন তার ঝলকও পোস্ট করেছেন তাঁরা।


আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সাতপাকে বাঁধা পড়বেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা। ২০১৮ সাল থেকে তাঁদের সম্পর্কের শুরু। এরপর থেকে নানা সময় তাঁদের প্রেমের জল্পনা রটলেও নিজেরা মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন। কেবল ভাল বন্ধু হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। যদিও অনুরাগীরা জানতেন, যে তাঁদের সম্পর্ক কেবল বন্ধুত্বে আবদ্ধ নেই। অবশেষে সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়তে চলেছে।
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদ শহর রাজস্থানে উদয়পুরে ঘনিষ্ঠ পরিসরে বিয়ের অনুষ্ঠান হবে। পরে হায়দরাবাদে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের জন্য আলাদা রিসেপশন আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। কিছুদিন আগেই তাঁদের আলাদা আলাদা ভাবে হায়দরাবাদ ছাড়তে দেখা গিয়েছে।
তাঁদের বিয়ের কার্ড সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে, সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজস্থানের উদয়পুরের একটি হেরিটেজ প্যালেসে বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের আসর বসবে। বিয়ের পর ৪ মার্চ হায়দরাবাদে একটি জমকালো রিসেপশন পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। এবার খবর, বিয়ের দিন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে এই জুটি এক কঠোর ‘নো-ফোন পলিসি’ গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ, বিয়ের মণ্ডপে কোনও অতিথি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। এমনকী যাঁরা বিয়ের ছবি ও ভিডিও তুলবেন, সেই পেশাদার ফটোগ্রাফারদের টিমের সঙ্গেও কঠোর আইনি চুক্তি সাক্ষর করা হয়েছে যাতে একটি ছবিও বিয়ের আগে বাইরে না আসে। কোনও প্রকার উপহারের পরিবর্তে বিজয়-রশ্মিকা তাঁদের বন্ধুদের হাতে লেখা চিরকুটে জানিয়েছেন, তাঁদের উপস্থিতি এবং আশীর্বাদই সবচেয়ে বড় উপহার।
