২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা। উদয়পুরে বসেছে তাঁদের বিয়ের হাট। ২৪-২৫ ফেব্রুয়ারি চলেছে তাঁদের প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠান। কোথায় তাঁদের বিবাহ বাসর বসেছে, আর কত খরচ জেনে নিন। 

আইটিসি হোটেলের দ্য মেমেন্টোস হোটেলে বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানার বিয়ের বাসর বসেছে। আরাবল্লি পর্বতের মাঝে অবস্থিত দ্য মেমেন্টোস। উদয়পুর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এটি। আল্ট্রা লাক্সারি প্রপার্টি। কৈলাশপুরীর জনপ্রিয় একলিঙ্গজির মন্দির যাওয়ার পথে অবস্থিত এই হোটেল। পর্বতের একদম মাথায় এটি অবস্থিত। ফলে আরাবল্লি পর্বতের দুর্দান্ত ভিউয়ের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট একটি হ্রদের ভিউ পাওয়া যাবে এখান থেকে। 

এই রিসোর্ট তথা হোটেলে রয়েছে ১১৭ টি ভিলা এবং স্যুট। ৫টি রেস্তোরাঁ এবং ৩টি ব্যাঙ্কোয়েট রয়েছে। আলাদা আলাদা জায়গা রয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উদ্‌যাপনের জন্য। 

এই হোটেলে মেমেন্টোস স্যুট থেকে আরাবল্লি স্যুট, ভ্যালি ভিউ ভিলা, লেক ভিউ ভিলা, প্রিমিয়াম ভিলা, ইত্যাদি রয়েছে। প্রাইভেট রুমের প্রতি রাতের ভাড়া এখানে ২০ হাজার থেকে শুরু। আর সর্বোচ্চ দাম ৫০ হাজার টাকা। 
আরাবল্লি স্যুটের রুমগুলো সবথেকে প্রিমিয়াম। এক একটি রুম ৪৮৫ স্কোয়ার মিটার জুড়ে অবস্থিত। এখানে প্রাইভেট পুল থেকে আলাদা লিভিং রুম, চারজন একসঙ্গে ধরবে এমন বাথরুম, বাইরে বসার জায়গা, ইত্যাদি। এটির প্রতি রাতের ভাড়া ৭৯ হাজার টাকার বেশি। এই টাকায় ব্রেকফাস্ট এবং ওয়াইফাই ফ্রি। এখানে খাবারের দাম প্রতি জন অনুযায়ী ৩০০০ থেকে ৬০০০ টাকা। 

কিছুদিন আগে উদয়পুর উড়ে যান বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা। এরপর ২২ ফেব্রুয়ারি অভিনেত্রী নিজেই তাঁদের বিয়ের কথা ঘোষণা করেন। জল্পনায় সিলমোহর দিয়ে জানান, তাঁদের বিয়ের হ্যাশট্যাগ হবে ভিরোশের বিয়ে। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০.১০ নাগাদ গাঁটছড়া বাঁধেন তাঁরা। দক্ষিণী মতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। বিয়েতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ অনেকেই আমন্ত্রিত ছিল। আগামী ৪ মার্চ তাঁদের রিসেপশন রয়েছে হায়দরাবাদে।

জানা যাচ্ছে, মালাবদলের সময় নাকি দু'জনের চোখ ছলছল করছিল। এই মুহূর্তটি ছিল বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত। যদিও জুটির বিয়ের ছবি এখনও সামনে আসেনি। তবে বিয়ের মুহূর্তের টুকরো স্মৃতি একে একে উঠে আসছে। বুধবার জানা গিয়েছিল, সঙ্গীতের অনুষ্ঠানে 'পুষ্পা'র গানে নেচে বিজয়কে চমকে দিয়েছিলেন রশ্মিকা। বিয়ের দিন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে এই জুটি এক কঠোর ‘নো-ফোন পলিসি’ গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ, বিয়ের মণ্ডপে কোনও অতিথি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।