টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে ৬০১৩ ভোটে জিতলেন পাপিয়া অধিকারী। বিজেপির থেকে টিকিট পেয়ে এই কেন্দ্রে লড়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের হেভি ওয়েট প্রার্থী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। পাপিয়া অধিকারী ৮৮,৪০৭ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অরূপ বিশ্বাস পেয়েছেন ৮২৩৯৪ ভোট।
বলা যায়, পাপিয়া অধিকারীর হাত ধরেই টালিগঞ্জে ফুটল পদ্ম। কিছুদিন আগে তিনি রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন। আওয়াজ তুলেছিলেন অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। তারপরই এদিন বিপুল ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন পাপিয়া।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিজেপিতে যোগ দেন পাপিয়া অধিকারী। সেই বছরই পদ্মশিবির তাঁকে টিকিট দেন। উলুবেড়িয়া দক্ষিণ থেকে তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু হেরে যান। ২০২৬ সালে তিনি পুনরায় প্রার্থী হন টালিগঞ্জ থেকে। এবার সেই কেন্দ্র থেকেই তিনি জয়ী/পরাজিত হলেন।
এদিন বিজয়ী হয়েই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন পাপিয়া অধিকারী। ফেসবুক পোস্টে লিখলেন, 'টালিগঞ্জবাসী, এই জয় আমার নয় এটি আপনাদের প্রতিটি হৃদয়ের জয়। আপনাদের বিশ্বাস, আপনাদের আশীর্বাদ, আর আপনাদের ভালোবাসাই আমাকে এই জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে। BJP-র প্রতিটি কর্মী, সদস্য ও সমর্থককে আমার প্রণাম, আপনাদের ত্যাগ আর পরিশ্রমের ফলে এই জয়। Narendra Modi-এর প্রেরণায় আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি টালিগঞ্জের প্রতিটি মানুষের পাশে, প্রতিটি সংগ্রামে, সবসময় থাকব।' (পোস্টদাতার বানান সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রাখা হল)
বিজেপির টিকিট পাওয়ার পরই পাপিয়া অধিকারী আজকাল ডট ইনকে বলেছিলেন, "মনের মধ্যে এই উচ্ছ্বাস প্রোথিত হয়ে আছে, কেমন করে নরেন্দ্র মোদি দাদাকে এখানে আনা যায় সেটার জন্য। উনি বলেছেন, বাংলার সমস্ত মেয়েরা ওঁর বোন। তাই আমাদের নরেন্দ্র মোদি দাদাকে কী করে জেতানো যায়, সেটার চেষ্টা করব। লড়াই করব।" বিজয়ী হলে তাঁর লক্ষ্য কী হবে, জানতে চাইলে প্রার্থী বলেছিলেন, "আমি বাংলার মেয়ে, খালি টালিগঞ্জ নয়, বাংলায় যেখানেই দেখব দুর্নীতি, চুরি, অন্যায় সেখানেই সেটাকে সমূলে উৎখাত করব।"















