বিরাট মোড় আসছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'তারে ধরি ধরি মনে করি'তে। এই মেগায় এবার দেখা যাবে নায়িকাকে দামাল হাতির কবলে পড়তে! ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। যা রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে সমাজমাধ্যমে। প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, গোরা দিতিকে বলছে ক'দিন সে বাড়িতে থাকবে না। তাই কীর্তনের সমস্ত দায়িত্ব দিতিকেই নিতে হবে। গোরার কথায় রাজিও হয় দিতি। কিন্তু কীর্তনের দিন ঘটে বিরাট অঘটন!
যখন কীর্তন গেয়ে দিতি ও বাড়ির সবাই বাড়ি ফিরছে তখন কুন্তলিনী ও পুতস্তর চক্রান্তের মুখে পড়ে দিতি। এক দামাল হাতি হঠাৎ তেড়ে আসে তার দিকে। সবাই প্রাণে বাঁচতে দৌড়ে পালায়। দিতি পালাতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে মাটিতে পড়ে যায়। আর তখনই আরও কাছাকাছি চলে আসে হাতিটা। গোরাও তখন ওই জায়গায় ছুটে আসে। আর এই ঘটনা দেখে চিৎকার করে ওঠে সে।
কী হবে দিতির? হাতির খপ্পরে পড়ে প্রাণ যাবে তার? কুন্তলিনী ও পুলস্তর চক্রান্ত কি সফল হবে এবার? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক মহল।
কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল কুন্তলিনীকে একজন সাধু তার পূর্বজন্মের কথা মনে করাচ্ছে। সে তাকে বলে আগের জন্মে সে গোরাকে ভালবাসত, তখন তার নাম ছিল তমালিনী। আর দিতির জন্য তার গোরাকে পাওয়া হয়নি। দিতি এই জন্মেও তার পথের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন ফুল মুরারী কাব্যের তৃতীয় খণ্ড খুঁজছে দিতি। যদি দিতির হাতে সেই তৃতীয় খণ্ড এসে একবার পৌঁছায়, তাহলে কুন্তলের আর গোরাকে পাওয়া হবে না। সাধুর এই কথা শুনে দিতিকে আটকাতে চলে যায় সে। এদিকে দিতি একটা পুকুরের সামনে এসে দাঁড়ায়। মনে মনে ভাবে এই পুকুরের নিচেই ৪০০ বছর ধরে একটা কচ্ছপ ফুল মুরারী কাব্যের তৃতীয় খণ্ড পাহারা দিচ্ছে। কিন্তু সেটা কীভাবে পাবে সে?
দিতি এই কথা ভাবতে ভাবতেই তাকে পিছন থেকে আচমকা ধাক্কা দিয়ে জলে ফেলে দেয় কুন্তল। কিন্তু দিতি জলে তলিয়ে যেতে যেতে দেখতে পায় সেই কচ্ছপকে। কচ্ছপের সাহায্যেই ওই পূরাণ উদ্ধার করে আনে সে। কিন্তু কুন্তলিনী গোরাকে পাওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে। সে চেষ্টা করতে থাকে, যাতে দিতিকে সরিয়ে গোরাকে কাছে পায় সে। কিন্তু বারবার তার সব চেষ্টা বিফলে যেতে থাকে। এবার তাই দামাল হাতিই মোক্ষম চাল তার। কী হতে চলেছে দিতির সঙ্গে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।















