বিরাট চমক আসতে চলেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'তারে ধরি ধরি মনে করি'তে। ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। যা ঘিরে রীতিমতো আলোচনা শুরু হয়েছে নেটপাড়ায়। অদ্বিতীয়ার এমন তেজস্বী রূপ এর আগে দেখেননি দর্শক। তাই যেন আরও বেশি করে মনে ধরেছে এই প্রোমো। দেখা যাচ্ছে, পুলস্ত তার বাবা-মাকে নিয়ে গোরাদের বাড়িতে ঢোকে। তাকে এমন অসময়ে আসতে দেখে বেশ অবাক হয়ে যায় বাড়ির সবাই। পুলস্ত বাড়িতে পা দিয়েই বলে অনেকদিন পর নিজের বাড়িতে এসে তার খুব ভাল লাগছে। এটা তার নিজের বাড়ি হবে কেন? প্রশ্ন করে গোরা। কিন্তু পুলস্তর জবাব শুনে সবাই চমকে যায়।
পুলস্ত জানায়, গোরার দাদু এক সময় নিজের ভাইপো অর্থাৎ পুলস্তর বাবা-মাকে এই বাড়িতে থেকে বের করে দিয়েছিল। তাই এই বাড়ির সঙ্গে তার যোগসূত্র আছে। এই কথা শুনে চমকে ওঠে গোরা। এমনকী দাদুও কোনও কথা বলতে পারে না। অন্যদিকে, পুলস্ত অদ্বিতীয়ার হাত টেনে ধরে, জানায় এবার বাড়ির অধিকার যেমন বুঝে নেবে, তেমন সে প্রমাণ করে দেবে অদ্বিতীয়া তার বাগদত্তা। এই কথা শুনে গর্জে ওঠে অদ্বিতীয়া। সে জানায়, তার একমাত্র পরিচয় সে গোরাচাঁদ গোস্বামীর স্ত্রী রূপমঞ্জুরী।
প্রোমোতেই স্পষ্ট, এবার ধারাবাহিকে আসতে চলেছে দারুণ চমক। মোড় ঘোরানো পর্বে পুলস্ত ও অদ্বিতীয়ার টক্কর আরও জমে উঠবে। আর গোরা? সে কি মিথ্যেটাই সত্যি বলে মেনে নেবে? অদ্বিতীয়াকে কি রূপের জায়গাটা সত্যিই দিতে পারবে সে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।
কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল কুন্তলিনী ফের রূপমঞ্জরী ভেবে দিতিকে হত্যার চেষ্টা করে। তার ঘরে আবারও ছেড়ে দেয় এক বিষধর সাপ। কিন্তু সেই সাপ এবার দিতিকে কামড়ায় না। বরং অতিক্রম করে এগিয়ে যায়। আর সেই সময়ই ঘরে ঢোকে গোরা। তার পায়েই সাপটা কামড়ে দেয়। এরপরই বাড়িতে হুলস্থূল পড়ে যায়।
গোরাকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স আসতে দেরি হবে বলে জানা যায়। তখন রূপমঞ্জরী রূপী দিতি জানায় এত দেরি করা সম্ভব নয়। এদিকে বাড়িতে কেবল গোরা চালাতে জানে। কী হবে এই সময় সকলে যখন ভাবছে দিতি বলে সে ড্রাইভ করে নিয়ে যাবে গোরাকে। আর এতেই বাড়ির সকলের মনে প্রশ্ন জাগে তবে কি সে আদৌ রূপমঞ্জরী নয়, বরং দিতি? যদিও সেই দ্বন্দ্ব আপাতত দূর হয়েছে। কিন্তু পুলস্তর বাড়িতে ঢুকে পড়ায় ফের যে নতুন বিপদ ঘনিয়ে আসছে, তা বোঝাই যাচ্ছে।
