জি বাংলার'পরিণীতা' ধারাবাহিকটির মাঝে ক'দিন টিআরপি নম্বর কমলেও ফের নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছে। এর মধ্যেই গল্পকে আরও জমজমাট করতে আসছে নতুন টুইস্ট। এখন অনিরুদ্ধর সঙ্গে রায়ানের পিসি পৌষালীর সদ্য বিয়ে নিয়ে গল্প এগোচ্ছে। পৌষালীর বিয়েতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে রায়ান ও পারুল। একটু একটু করে রায়ান যে পারুলকে মন দিয়ে ফেলেছে তা বুঝতে পারছে সে। বুঝতে পারলেও নিজের মুখে কিছুই বলতে চায় না রায়ান। পারুলকে ভালবাসার কথা বলা তো কোন ছাড়, সে এখনও পর্যন্ত তাকে একপ্রকার অবহেলা করেই যাচ্ছে।

 

 

ক'দিন আগেই অনিরুদ্ধকে ভুল বুঝেছিল রায়ান। ভেবেছিল পারুলের সঙ্গে প্রেম করছে সে। তাই অনিরুদ্ধকে দু'চোখে সহ্য করতে পারত না সে। এদিকে, পরে যখন রায়ান জানতে পারে অনিরুদ্ধ পারুলকে নয় তার পিসিকে ভালবাসে তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় সে‌। অনেক বাধা পেরিয়ে অবশেষে পৌষালীর বিয়ে হয়। কিন্তু পারুলের শাশুড়ির আসল রূপটা ধরা পড়ে যায় পরিবারের কাছে। সে নিজেকে শুধরে নেওয়া তো দূর, বরং পারুলকে কীভাবে রায়ানের জীবন থেকে একেবারে সরিয়ে ফেলা যায় সেই পরিকল্পনা করতে থাকে। 

 

এদিকে পারুল ও রায়ানের ডিভোর্সের দিন এগিয়ে আসে। দু'জনেই একসঙ্গে আদালতে হাজিরা দেয়। কিন্তু তাদের ডিভোর্স কেস দেখে বিচারক বলে ওঠে তারা তো স্বামী-স্ত্রীর মতো কোনওদিন থাকেনি, তাহলে ডিভোর্স হবে কী করে? আগে ফুলশয্যা, তারপর ডিভোর্স! 

 

বিচারকের কথা শুনে তো চক্ষু চড়কগাছ পারুল-রায়ানের। বাড়িতে সেই কথা জানাতেই পারুল-রায়ানের ফুলশয্যার আয়োজন করে সবাই। এদিকে ফুলশয্যার সাজে পারুলকে দেখে অবাক হয়ে যায় রায়ান। এবার কি নিজের মনের কথা পারুলকে বলে ফেলবে সে? কী হতে চলেছে তাদের ফুলশয্যায়? প্রোমো দেখে তো দারুণ উত্তেজিত দর্শক মহল। তাই আগামী পর্বের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই মেগার অনুরাগীরা। 

 

কিন্তু এর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে আসল টুইস্ট। পারুল-রায়ানের ফুলশয্যার দিন বেঁকে বসে রায়ানের মা। সে মনে মনে ছক কষে যেভাবেই হোক এবার পারুলকে রায়ানের জীবন থেকে সরিয়ে ফেলতেই হবে‌। আর সেই ভাবনা মতোই ফুলশয্যার ঘরে ঢুকে পারুলের মুখে একটা পান গুঁজে দেয়। কী রয়েছে ওই পানে? কোন অঘটন ঘটতে চলেছে ফুলশয্যার রাতে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।