ঘোর বিপাকের মুখে কুসুম! নেড়া পোড়াতেই কি শেষ হয়ে যাবে কুসুম? জি বাংলার এই ধারাবাহিকে আসতে চলেছে বিরাট মোড়। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। সেখানে দেখা যাচ্ছে, কুসুম, আয়ুষ্মান ও ইন্দ্রাণী আয়োজন করেছে নেড়া পোড়ার। দোলের আগের দিন উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে বাড়ির সবাই। এর মধ্যেই মেঘা ও দেবলীনা ছক কষে কুসুমকে মেরে ফেলার। তাই গঙ্গা জলের জার সরিয়ে অন্য জায়গায় রেখে দেয়। 

ইন্দ্রাণী যখন কুসুমকে গঙ্গা জল আনতে বলে স্বাভাবিকভাবেই কুসুম অবাক হয়। অন্য জায়গায় জার খুঁজে পেতেই তার মনে সন্দেহ হতে থাকে। কিন্তু বেশিকিছু না ভেবে সে তাড়াতাড়ি জার নিয়ে এগোতে যায়। আর তখনই দেবলীনা আগুন জ্বালিয়ে দেয়। আগুনের বলয়ের মাঝে ভয়ে চিৎকার করে ওঠে কুসুম। আয়ুষ্মান ও ইন্দ্রাণীর নাম ধরে ডাকতে থাকে সে। কিন্তু উৎসবের আমেজে কুসুমের ডাক কি কানে পৌঁছবে তাদের? আয়ুষ্মান কি পারবে কুসুমকে বিপদ থেকে উদ্ধার করতে?  

এদিকে, ক'দিন আগেই ধারাবাহিকে দেখা যায় মেঘার আসল রূপ ধরে ফেলে কুসুম। সে বুঝতে পারে মেগা গাঙ্গুলি বাড়ির ক্ষতিই চায়। কিন্তু ইন্দ্রাণীকে মুখ ফুটে কিছু বলার সাহস পায় না সে। কুসুমের এই পরিণতির ফলে কি ইন্দ্রাণীর চোখে পড়বে মেঘা ও দেবলীনার ষড়যন্ত্র? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।

কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছে আয়ুষ্মান এবং মেঘার এনগেজমেন্টের আয়োজন করা হয়েছে গাঙ্গুলি বাড়িতে। আর কাজের ফাঁকেই কুসুম জানাচ্ছে আয়ুষ্মান অন্য কারও হলেও, সে যার নামে সিঁদুর পরে তাকেই স্বামী বলে মানবে। সিঁদুর পরবে। জানায় তার ভাগ্য এতই খারাপ যাকে স্বামী বলে মানে তাকে কখনই সেটা। ডাকতে পারবে না। আয়ুষ্মানের ছবিতে আনমনে হাত বুলিয়ে দেয়। এরপরই তার ডাক পরে অনুষ্ঠানে। আয়ুষ্মান এবং মেঘার বাগদানের আংটি সেই বয়ে আনে। আংটি বদল সারাও হয়। 

এরপরই কুসুম যখন আয়ুষ্মান এবং মেঘার একটি পোস্টারের কাছে দাঁড়িয়ে, তখন হঠাৎই মেঘা পিছন দিয়ে একটি দেশলাই ছুঁড়ে সেই ছবি জ্বালিয়ে দেয়। বলে এই গাঙ্গুলি পরিবার এবং আয়ুষ্মানকে সে এভাবেই পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে। কুসুম প্রথমে হতভম্ব হলেও সে জানায় এমনটা সে কিছুতেই হতে দেবে না। যেভাবেই হোক তার প্রাণ থাকতে বাঁচাবে তার ছোটকর্তা এবং এই পরিবারকে। 

প্রসঙ্গত, 'কুসুম' জি বাংলার পর্দায় প্রতিদিন দেখা যায়। এই মেগা এতদিন সাড়ে পাঁচটা থেকে দেখা যেত, এখন রোজ সন্ধ্যা ছটায় সম্প্রচারিত হয়।