কলেজে সরস্বতী পুজোর আয়োজন করে বিহানরা। দেবীমূর্তি নিজের হাতে তৈরি করার দায়িত্ব নেয় কম্পাস। আধুনিক পদ্ধতিতে তৈরি হলেও দেবীর হাতে বীণা ও বই সবই থাকবে বলে জানায় কম্পাস। রোবোটের ধাঁচে সরস্বতী তৈরি করে কম্পাস। তার আবিষ্কার চোখের সামনে দেখবে বলে অপেক্ষায় থাকে বিহান ও ঋতজা। কলেজে এসে ঋতজা দেবীমূর্তি উদ্ধোধন করতে গিয়ে অবাক হয়ে যায়। 

 

সে দেখে সরস্বতী মূর্তি নেই জায়গায়। কোথায় গেল? কম্পাসকে প্রশ্ন করে বিহান।‌ কিন্তু জবাব দিতে পারে না সে। এদিকে, মুক্তি ও মোনালিসা দু'জনে দল বেঁধে চক্রান্ত করে কম্পাসের বিরুদ্ধে। কম্পাসের আবিষ্কার নষ্ট করে দেবে বলে ঠিক করে তারা। আর ঠিক সেটাই হয়। মুক্তি ও মোনার ষড়যন্ত্রের শিকার হয় কম্পাস। এবারের সরস্বতী বন্দনায় কম্পাসের রোবোটিক স্টাইল কি ভেস্তে যাবে? নাকি প্রতিবারের মতো বিপদ থেকে নিজেই উদ্ধার হবে কম্পাস? 

 

সদ্য প্রকাশ্যে আসা ধারাবাহিকের নতুন প্রোমোয় দেখা যাচ্ছে এমনটাই। 'কম্পাস'-এর প্রোমো আসতেই দারুণ উত্তেজিত দর্শক। গল্পের টুইস্টে এখন কী হয়, সেটাই জানার জন্য অপেক্ষায় কম্পাসের অনুরাগীরা। 

 

এদিকে, কম্পাস-বিহানের মিল দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকেন দর্শক। কিন্তু বিপদে একে অপরের পাশে সব সময় থাকলেও এখনও পর্যন্ত জুটির মিল দেখানো হয়নি। গল্পে ছোট থেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার কম্পাস। তার বাবাকে এতদিন আটক করে রাখা হয়েছিল। কিছুদিন আগেই বাবার খোঁজ পেয়েছিল কম্পাস। কম্পাসের বাবার আবিষ্কারকে এতদিন চুরি করে নিজের নামে চালিয়েছে বিহারের বাবা। কম্পাস এই ষড়যন্ত্রের কথা জেনে যায়। তবে উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে এখনও পর্যন্ত অপরাধীদের শাস্তি দিতে পারে না সে। 

">

এদিকে, প্রতিদিন বিভিন্নভাবে বিপদে পড়ছে সে। কিন্তু বাবা-মায়ের আদর্শ মেয়ে হিসেবে সে হেরে যায় না। বিভিন্ন বিপদের মুখে পড়লেও বুদ্ধির জোরে ফিরে আসে সে। মোনালিসা বিহানকে ভালবাসে। তাই কম্পাসের সঙ্গে বিহানের বিয়ে হয়ে যাওয়ার ফলে সে সব সময় কম্পাসের ক্ষতি চায়। প্রতি সপ্তাহে নতুন চমক থাকলেও টিআরপিতে তেমন প্রভাব ফেলতে পারে না এই ধারাবাহিক। তবে এবার গল্পের মোড়ে ঠিক কী হতে চলেছে? কম্পাসের নতুন আবিষ্কার কি মান রাখবে কলেজের? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক।